ভারতের সাত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে ঢাকায় আমন্ত্রণ

শেয়ার করুন:

পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সঙ্গে সংযুক্ত। বাণিজ্যিক কার্যক্রমের দিক থেকে, ভারতের এই বাংলাভাষী অঞ্চলের সঙ্গে বাংলাদেশের মানুষের আলাদা টান রয়েছে। ঠিক একইভাবে যদি বাংলাদেশের সঙ্গে উত্তর-পূর্ব ভারতের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও বাণিজ্যের উন্নতি ঘটে, তাহলে পুরো অঞ্চলের চিত্র পাল্টে যাবে।নুমালিগড় রিফাইনারি লিমিটেড এবং বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের মধ্যে যৌথ উদ্যোগে, বাংলাদেশ ও ভারত আসামের নুমালিগড় থেকে বাংলাদেশের পার্বতীপুর পর্যন্ত ডিজেল পাইপলাইন নির্মাণের জন্য সমঝোতা স্মারক সই করেছে। এরই মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়ি থেকে পার্বতীপুরে ওয়াগনে করে ডিজেল আসছে। তবে বাংলাদেশ এবং আসামের মধ্যে কিছু এনআরসি সংক্রান্ত সমস্যা থাকতে পারে। এসব বিষয় কূটনৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করে বাংলাদেশ ও আসামের মধ্যে উন্নত যোগাযোগ ও বাণিজ্য সম্পর্ক করলে দুই দেশই লাভবান হবে। পাশাপাশি বাংলাদেশের সিলেট থেকে উত্তর-পূর্ব ভারতের আসামে পণ্যের রপ্তানি বাড়ানোর সম্ভাবনাও প্রচুর। ব্রহ্মপুত্র-বরাক-পদ্মা-মেঘনা নদীপথের জলপথগুলোকে অবশ্যই বাংলাদেশের বন্দরগুলোকে আসামের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে- যাতে আঞ্চলিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রচার এবং বাংলাদেশ ও উত্তর-পূর্বের মধ্যে ট্রেন সংযোগ পুনরুদ্ধার করা যায়। এছাড়া আসাম ও সিলেটের বন্ধুত্ব দীর্ঘদিনের। এই বন্ধুত্বকে কাজে লাগিয়ে ওই এলাকার অর্থনীতি পাল্টে দেয়া সম্ভব বলে মত বিশ্লেষকদের।

শেয়ার করুন: