নিজস্ব প্রতিনিধি : পাবনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এবং বেড়া উপজেলার চরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মো. হায়দার আলীর বাড়িতে পুলিশি হয়রানীর খবর পাওয়া গেছে। গত বুধবার রাত সাড়ে ১২ টার দিকে পুলিশ বাঁধেরহাট চরপাড়া গ্রামে হায়দার আলীর বাড়িতে গিয়ে গেট ভাংচুর করে।হায়দার আলী মুঠোফোনে জানান, তার এক চাচাতো ভাইয়ের ছেলের বিয়ের বরযাত্রীদের সাথে কাজীরহাট ফেরীঘাটের টিকেট বিক্রেতাদের কথা কাটাকাটি হয়। সেই ঘটনার সাথে আমার কোনপ্রকার সংশ্লিষ্টতা না থাকার পরেও আমার বাড়িতে পুলিশি হামলার ঘটনা কেন ঘটানো হলে তা আমার বোধগম্য নয়। তিনি আরও বলেন, ওই বিয়ের বরযাত্রী হিসেবেও আমার কোন উপস্থিতি ছিল না। একটি কুচক্রী মহল আমার সামাজিক-রাজনৈতিক ইমেজ নষ্টের জন্য প্রশাসনকে ভুল বুঝিয়ে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।
স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, হায়দার আলী একজন সমাজ সেবক। তিনি পরপর দুই বার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির পরিচালক নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সভাপতি নির্বাচিত হন। দায়িত্ব পালন করছেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতির। সম্প্রতি বেড়া উপজেলার ধোবাখোলা করোনেশন (সন্নাসীর বাঁধা) উচ্চ বিদ্যালয়ে সভাপতি পদে নির্বাচন করেও বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন।
স্থানীয় এক কলেজ শিক্ষক এ প্রতিনিধিকে জানান, হায়দার আলীর মত উচ্চ শিক্ষিত, মার্জিত ও রুচিবোধসম্পন্ন একজন জনপ্রতিনিধিকে এভাবে পুলিশি হয়রানীর ঘটনায় জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ওই অঞ্চলে তার মত ভালো মনের মানুষ দ্বিতীয়টি খুঁজে পাওয়া যাবে না। আত্মীয়-স্বজনের ঝামেলার দায় তিনি কেন বহন করবেন?
আমিনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রওশন আলীর সাথে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
স্থানীয় সচেতন মহল উর্ধতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
