২০১৬ সাল পর্যন্ত ঘূর্ণিঝড়ের ৩১ নাম নির্ধারণ করে রাখা হয়েছে

শেয়ার করুন:

ডেস্ক ● ২০১৬ সাল পর্যন্ত ঘূর্ণিঝড়ের ৩১ নাম নির্ধারণ করে রাখা হয়েছে। ধারাবাহিকভাবে সাজানো নামগুলো পর্যায়ক্রমে ঝড়ের নামকরণ হিসাবে আসবে। জাতিসংঘের এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের আবহাওয়াবিদদের সংস্থা এস্কেপের আবহাওয়াবিদদের নিয়ে গঠিত একটি কমিটি এ নামকরণ করে রেখেছে। এ কমিটি কাজ করে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার (ডব্লিউইউএমও) আওতায়।

নামকরণের ধারাবাহিকতা অনুসারে নতুন এ ঘূর্ণিঝড়ের নাম রাখা হয়েছে ওমানের প্রস্তাবিত ‘হুদহুদ’ পাখির নামে। যেহেতু এর আগে ‘মহাসেন’র নাম রাখা হয়েছিলো শ্রীলংকার তৃতীয় শতকে শাসক রাজা’র নামানুসারে। তাই এবার হুদহুদের নাম রাখা হয়েছে ওমানের প্রস্তাবিত একটি পাখির নামানুসারে।

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার (ডব্লিউইউএমও) আওতায় জাতিসংঘের এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের আবহাওয়াবিদদের সংস্থা এস্কেপের আবহাওয়াবিদদের নিয়ে গঠিত একটি কমিটি বিশ্বের বড় ঝড়গুলোর নাম দিয়ে থাকে। নামকরণের ধারাবাহিকতা অনুসারে নতুন এ ঘূর্ণিঝড়ের নাম রাখা হয়েছে ওমানের প্রস্তাবিত ‘হুদহুদ’ পাখির নামে। তাই এবারে এই ঝড়ের নামকরণ হয় পাখির নামে।

আগে প্রতিটি ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ করা হতো নারীদের নামে। কিন্তু ১৯৭৯ সাল থেকে নামকরণের ক্ষেত্র পুরুষের নাম অন্তর্ভূক্ত করা হয়। এখন তালিকায় পর্যাক্রমে পুরুষ ও নারী দুই নামই রাখা হয়েছে। যেহেতু ঝড় যেহেতু মৃত্যু ও ধ্বংসের সঙ্গে জড়িত, তাই কোনো নামই দ্বিতীয়বার আর ব্যবহার করা হয় না।

এস্কেপের প্যানেলে বাংলাদেশ, মিয়ানমার, ভারত, পাকিস্তান, মালদ্বীপ, শ্রীলংকা এবং ওমানের প্রতিনিধিরা রয়েছেন। ২০০০ সালে এস্কেপের প্রস্তাবনা অনুযায়ী প্রতিটি দেশ থেকে ঘূর্ণিঝড়ের ১০টি নাম জমা নেওয়া হয়। এখান থেকেই পরবর্তী ঘূর্ণিঝড়গুলোর নামকরণ করা হয়।

এরপর যে ঘূণিঝড়গুলো আঘাত হানবে তার নামগুলো হবে পর্যায়ক্রমে-হেলেন, লহর, মাদী, নানাউক, নিলুফার, প্রিয়া, কোমেন, চপলা, মেঘ, ভালি, কায়নত্দ, নাদা, ভরদাহ, সামা, মোরা, অক্ষি, সাগর, বাজু, দায়ে, লুবান, তিতলি, দাস, ফেথাই, ফণী, বায়ু, হিকা, কায়ের, মহা, বুলবুল, সোবা ও আমপান। এ নামগুলো চলবে ২০১৬ সাল পর্যন্ত।আবহাওয়াবিদদের মতে, ভয়াবহতার দিক থেকে সব ঘূর্ণিঝড়ের বৈশিষ্ট্য প্রায় একই থাকে। তবে স্থানীয়ভাবে ঘূর্ণিঝড়গুলোর নাম ভিন্ন হয়ে থাকে। যেমন ভারত মহাসগরীয় অঞ্চল থেকে উৎপন্ন ঘূর্ণিঝড়গুলোকে সাইক্লোন বলা হয়। টাইফুন বলা হয় প্রশান্ত মহাসগরীয় অঞ্চলের ঘূর্ণিঝড়গুলোকে। আর হারিকেন বলা হয় আটলান্টিক মহাসাগরীয় এলাকার ঘূর্ণিঝড়কে।

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *