হবিগঞ্জ প্রতিনিধি: উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও প্রবল বর্ষণে হবিগঞ্জের চারটি উপজেলা হাওর, নদীগুলোর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে করে হাওরের নিম্নাঞ্চলসহ বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়ে বন্যা কবলিত হয়েছে। এ কারণে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে চারটি উপজেলায় বন্যার্তদের জন্য ৬৪ টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে।রবিবার (১৯ জুন) জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এতথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। আজমিরীগঞ্জ উপজেলায় ২১টি, নবীগঞ্জে ১৩ টি, লাখাইয়ে ১৫টি ও বানিয়াচংয়ে ১৫টি আশ্রয় কেন্দ্র।খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আজমিরীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে ইতিমধ্যে দুই হাজারের বেশি মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। এছাড়া লাখাই ও নবীগঞ্জ উপজেলায় আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রেখেছে জেলা প্রশাসন এবং বানিয়াচং উপজেলায় ১৫টি স্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র থাকলেও যেসকল এলাকায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে সেগুলোতেও বন্যার্তরা আশ্রয় নিতে পারবেন বলে উপজেলা প্রশাসন থেকে জানানো হয়েছে। জেলা প্রশাসক ইশরাত জাহান জানিয়েছেন-আজমিরীগঞ্জ, নবীগঞ্জ ও বানিয়াচং উপজেলায় পানি ওঠার পর দুর্গত এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে এবং দেওয়া হচ্ছে শুকনা খাবার। তবে পানি আরও বাড়লে নতুন নতুন এলাকায় প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের সব ধরনের প্রস্তুতি আছে। খাবারের প্রয়োজনে ৩৩৩ হটলাইনে ফোন করলে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে খাবার পৌঁছে দেওয়া হবে।
অনান্য খবর
অপরাধী যেই হোক তাকে শাস্তি পেতেই হবে: শেখ হাসিনা
ন্যায়বিচার ও মানবাধিকার নিশ্চিতে সরকার কাজ করছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ন্যায়বিচার নিশ্চিতে অপরাধী যেই হোক, তাকে শাস্তি…
ময়মনসিংহে নিরাপদ সবজিতে সাফল্য
ময়মনসিংহ জেলায় প্রথমবারের মতো আইপিএম (সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা) প্রকল্পের আওতায় কৃষি মন্ত্রণালয়ের মডেল প্রকল্প হিসাবে বিষমুক্ত নিরাপদ সবজি চাষ…
প্রশ্নফাঁস নামক সামাজিক ব্যাধি থেকে মুক্তির পথে বাংলাদেশ
সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে প্রশ্নফাঁস একটি জাতীয় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছিলো। বিগত কয়েক বছর এই সমস্যাটা অতিরিক্তভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। যেকোনো…
