বগুড়ার জিআইটিতে কারিগরি প্রশিক্ষণার্থীদের বরণ ও বিদায় সংবর্ধনা

বগুড়ার জিআইটিতে কারিগরি প্রশিক্ষণার্থীদের বরণ ও বিদায় সংবর্ধনা
শেয়ার করুন:

বগুড়ার জিআইটিতে কারিগরি প্রশিক্ষণার্থীদের বরণ ও বিদায় সংবর্ধনা

এ কে খান :

বগুড়ায় গ্রাম উন্নয়ন কর্ম (গাক)-এর আওতাধীন পরিচালিত গাক ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজিতে জাতীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন তহবিলের (এনএইচআরডিএফ) অর্থায়নে পরিচালিত কারিগরি প্রশিক্ষণ কোর্সের নবাগত শিক্ষার্থীদের বরণ এবং বিদায়ী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার ১৫ সেপ্টেম্বর বগুড়া শহরের বনানীতে গাক টাওয়ারের পঞ্চম তলায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গ্রাম উন্নয়ন কর্ম (গাক)-এর প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক ড. খন্দকার আলমগীর হোসেন, ক্যাপস্টোন ফেলো-এনডিসি। তিনি বিদায়ী ও নবাগত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. খন্দকার আলমগীর হোসেন বলেন, বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক কর্মবাজারে কারিগরি দক্ষতার কোনো বিকল্প নেই। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অর্জিত দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে আত্মনির্ভরশীল হওয়ার পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখতে হবে। কর্মক্ষেত্রে দক্ষতা, সততা, শৃঙ্খলা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার জন্য তিনি প্রশিক্ষণার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, তরুণদের কারিগরি জ্ঞান ও বাস্তবমুখী দক্ষতায় দক্ষ করে গড়ে তুলতে এ ধরনের প্রশিক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। প্রশিক্ষণ শেষে অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগিয়ে নিজেদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি অন্যদের জন্যও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা সম্ভব। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গ্রাম উন্নয়ন কর্ম গাক’র সিনিয়র পরিচালক ড. মো. মাহবুব আলম। গাক ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজির অধ্যক্ষ মো. আব্দুস সালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপপরিচালক মোহাম্মদ আরমান হোসেন, সহকারী পরিচালক মো. জিয়া উদ্দিন সরদারসহ প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও প্রশিক্ষক প্রমূখ। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বর্তমান সময়ে কর্মসংস্থান ও আত্মনির্ভরশীলতা অর্জনের অন্যতম প্রধান মাধ্যম হচ্ছে কারিগরি শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন। জাতীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন তহবিলের আওতায় পরিচালিত এ ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি তরুণদের বাস্তবমুখী দক্ষতা অর্জনের সুযোগ করে দিচ্ছে। এর মাধ্যমে প্রশিক্ষণার্থীরা প্রশিক্ষণ শেষে কর্মজীবনে প্রবেশের পাশাপাশি উদ্যোক্তা হিসেবেও নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার সুযোগ পাচ্ছেন। বক্তারা আরও বলেন, দক্ষ মানবসম্পদ দেশের উন্নয়নের অন্যতম চালিকাশক্তি। তাই সময়ের চাহিদা অনুযায়ী তরুণদের কারিগরি ও পেশাভিত্তিক প্রশিক্ষণের আওতায় এনে দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। কারিগরি দক্ষতা অর্জন করি, আত্মবিশ্বাসী ভবিষ্যৎ গড়ি’ এই প্রত্যয়কে সামনে রেখে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির লক্ষ্যে গাক ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজির কারিগরি প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে অনুষ্ঠানে জানানো হয়।

শেয়ার করুন: