ঢা
বিশেষ প্রতিনিধি :
ঢাকায় সানলাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের সাথে গুলশান নর্থ ক্লাবের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার উভয় প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এ চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে বিভিন্ন দিক নির্দেশনা মূলক বক্তব্য দেন উত্তর জনপদের কৃতি সন্তান, দেশের সমাজ পরিবর্তন ও নারী উন্নয়নের অগ্রদূত, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সমাজ সেবক, আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের নবনির্বাচিত পরিচালক, টিএমএসএসের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপিকা ডক্টর হোসনে-আরা বেগম। তিনি বলেন, বীমা’র প্রায়োগিক প্রতিফলন বিপদ-বিপত্তি, ক্ষয়-ক্ষতি ইত্যাদি কষ্টদায়ক ইস্যুগুলো সম্মিলিতভাবে অনাকাঙ্ক্ষিত ইস্যু, ঝুঁকি উপশম করা ও নিরাপদে থাকা। তৃতীয় বিশ্বের দরিদ্র মানুষ সামাজিক কুসংস্কার, ধর্মীয় সংকীর্ণতা বিশেষ করে অর্থনৈতিক দোন্যতা জনিত কারণেই বীমার প্রতি আগ্রহী নয়। তিনি আরও বলেন, জনঘনত্বপূর্ণ বাংলাদেশের মানুষ বীমা কোম্পানিগুলোর নিকট থেকে প্রত্যাশিত প্রতিশ্রুত সেবা, উপকার ও ক্লেইম যথা সময়ে না পাওয়ায় জনসাধারণের বীমা থেকে বিমুখ হওয়ার অন্যতম কারণ। সচেতনগণের জানা, মানুষ যখন বীমা সেবা ছাতা তলে অন্তর্ভুক্ত হয়ে প্রিমিয়াম দিতে হয় সে প্রিমিয়ামের পরিমাণ ক্লেইম এর তুলনায় এতো বেশি নয়।
বিশেষজ্ঞ ডাক্তার, মনোবিজ্ঞানী ও গবেষকদের অভিমত, বীমাভুক্ত ও বীমা বহির্ভূতের সঙ্গে তুলনা করলে বীমাভুক্তগণের রোগবালাই অনেক কম হয়, আয়ুষ্কাল বৃদ্ধি পায়, সুখী, সুঠাম ও সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হয়। টেনশন, ঝুঁকি, দুশ্চিন্তা কম থাকায় মন প্রফুল্ল থাকে, আচার-আচরণ ভালো হয়। ফলে পারিবারিক, সামাজিক সম্পর্ক ভালো হয় ও বৃদ্ধি পায়। সকলের জানা, সম্পর্কই সম্পদ। ফলে সম্পদকামী ব্যক্তিগণের, সমৃদ্ধতা ও স্বাচ্ছন্দ্য বৃদ্ধি পায়। ডক্টর হোসনে-আরা বেগম বলেন, বীমাকে শুধুমাত্র অর্থনীতির মধ্যে না রেখে স্বাস্থ্যনীতি, সমাজনীতি, ধর্মনীতি ইত্যাদি মূল্যমান ইতিবাচক ইস্যুগুলোর উৎস গণ্য করে করোনা পেন্ডামিক পরিস্থিতিতে অনেক বিপর্যয় বিপদ, বিশ্বাসহীনতাকে পিছনে ঠেলে দিয়ে সানলাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানী লিঃ এর সাথে গুলশান নর্থ ক্লাব উভয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উভয় প্রতিষ্ঠানের উর্ধতন কর্মকর্তা ও টিএমএসএসের নির্বাহী পরিচালকের একান্ত সচিব সার্বিক মোঃ ফেরদৌস রহমান প্রমুখ উপস্থিতি ছিলেন।
