সব বিভাগে ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী

শেয়ার করুন:

পর্যায়ক্রমে দেশের সব বিভাগে ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, এ ক্ষেত্রে খাস বা পতিত জমি ব্যবহার করতে হবে। যুবসমাজ যাতে ক্রীড়ার সঙ্গে যুক্ত হয়। জঙ্গিবাদ বা খারাপ কোনো দিকে না যায়। এছাড়া উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে কাজের মান ঠিক রাখতে হবে। এতে যে টাকা খরচ হয় তা যেন সঠিক কাজে লাগে।

https://googleads.g.doubleclick.net/pagead/ads?client=ca-pub-8703445851976159&output=html&h=250&slotname=3988120829&adk=1691299591&adf=3583585303&pi=t.ma~as.3988120829&w=300&lmt=1638947822&psa=1&format=300×250&url=https%3A%2F%2Fwww.jaijaidinbd.com%2Ftodays-paper%2Flast-page%2F218796&flash=0&wgl=1&uach=WyJXaW5kb3dzIiwiMTAuMC4wIiwieDg2IiwiIiwiOTYuMC4xMDU0LjQzIixbXSxudWxsLG51bGwsIjY0Il0.&dt=1638947822425&bpp=2&bdt=577&idt=85&shv=r20211201&mjsv=m202112010101&ptt=9&saldr=aa&abxe=1&cookie=ID%3D1230168d3040d79d-22f9552d60cf0080%3AT%3D1638859197%3ART%3D1638859197%3AS%3DALNI_Mb80YwDmAVOvJRW4IHGSVZaiJwjBg&prev_fmts=1200×280&correlator=181246767280&frm=20&pv=1&ga_vid=797080105.1638859198&ga_sid=1638947822&ga_hid=590950694&ga_fc=1&u_tz=360&u_his=1&u_h=1080&u_w=1920&u_ah=1040&u_aw=1920&u_cd=24&u_sd=1&dmc=8&adx=823&ady=1432&biw=1903&bih=952&scr_x=0&scr_y=0&eid=21065725&oid=2&pvsid=2472092639071203&pem=507&tmod=251015931&wsm=1&eae=0&fc=640&brdim=0%2C0%2C0%2C0%2C1920%2C0%2C1920%2C1040%2C1920%2C969&vis=1&rsz=%7C%7CleEbr%7C&abl=CS&pfx=0&alvm=r20211206&fu=1024&bc=31&ifi=2&uci=a!2&btvi=1&fsb=1&xpc=fIpSN3Xmfr&p=https%3A//www.jaijaidinbd.com&dtd=90

মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে এমন নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ডক্টর শামসুল আলম।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা সচিব প্রদীপ রঞ্জন চক্রবর্তী ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সদস্য মামুন-আল-রশীদ, আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো বিভাগের সদস্য মোসাম্মৎ নাসিমা বেগমসহ পরিকল্পনা কমিশনের অন্য সদস্যরা।

১০ প্রকল্প অনুমোদন : ডিজিটাল অর্থনৈতিক পরিবেশসহ ১০ প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। এগুলো বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৭ হাজার ৪৪৭ কোটি ৭ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ৩ হাজার ৬৮২ কোটি ২৮ লাখ টাকা, বাস্তবায়নকারী সংস্থা থেকে ১৫৩ কোটি ৮১ লাখ টাকা এবং বৈদেশিক ঋণ থেকে ৩ হাজার ৬১০ কোটি ৯৮ লাখ টাকা ব্যয় করা হবে।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘এলডিসি থেকে উত্তরণে যে সংস্থা জাতিসংঘের সেই কমিটিকে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে। গত মাসে জাতিসংঘে আমাদের দ্বিতীয়বার সুপারিশ করেছে। এলডিসি উত্তরণে তিনটি সূচকে আমরা ‘এ পস্নাস’ পেয়ে পাস করেছি। করোনা মোকাবিলায় আমরা সফল হয়েছি। এখন ওমিক্রন মোকাবিলায় সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। বিশেষ করে মাস্ক পরতে হবে।’

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘ডিজিটাল অর্থনৈতিক পরিবেশ প্রকল্প অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারের ডিজিটাল সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য একটি ডিজিটাল লিডারশিপ তৈরি হবে। উদীয়মান প্রযুক্তি বিষয়ে ২০ হাজার যুবক ও যুব মহিলাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের ডিজিটালাইজেশন, ডিজিটাল ইকোনমিতে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানকে বিনিয়োগে উৎসাহ দেওয়া এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পের আয় বৃদ্ধি করা সম্ভব হবে।’

ব্রিফিংয়ে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ডক্টর শামসুল আলম জানান, কুমিলস্না সিটি করপোরেশনের নাম মেঘনা ও ফরিদপুর সিটি করপোরেশনের নাম পদ্মা নদীর নামে করার নির্দেশনা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংশোধিত প্রকল্পের ক্ষেত্রে এর কারণ ও নতুন কাজ বিষয়ে ব্যাখ্যা থাকতে হবে। সে সঙ্গে মডেল মসজিদগুলো যেন ইসলামি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হয়। এটি যেন জঙ্গিবাদে উৎসাহিত না হয়। এছাড়া দক্ষিণাঞ্চলের ধান চাষ বাড়াতে হবে। সে সঙ্গে লবণসহিষ্ণ চাষ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

এক প্রশ্নের জবাবে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়ন দেরি শুধু বাংলাদেশে নয়, সুইজারল্যান্ড ও ইংল্যান্ডেও হয়। আমার পরিচিত একজন সুইজারল্যান্ডে থাকেন। তিনি জানান, দুই বছরের রাস্তার কাজ আজকে চার বছরেও শেষ হচ্ছে না।’

একনেকে অনুমোদিত প্রকল্পগুলো হচ্ছে- মোংলা বন্দর থেকে চাঁদপুর-মাওয়া-গোয়ালন্দ হয়ে পাকশী পর্যন্ত নৌ-রুটের নাব্যতা উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৩৪ কোটি টাকা। কুমিলস্না সিটি করপোরেশনের সমন্বিত অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৫৩৮ কোটি ১০ লাখ টাকা। বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আওতায় চট্টগ্রাম ও রাজশাহীতে ক্রীড়া স্কুল প্রতিষ্ঠা প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৩১ কোটি ৮৬ লাখ টাকা।

৫টি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (সিলেট, বরিশাল, রংপুর, রাজশাহী এবং ফরিদপুর) বার্ন অ্যান্ড পস্নাস্টিক সার্জারি ইফনিট স্থাপন প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৫৬ কোটি ৯ লাখ টাকা। জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের আইসিটি অবকাঠামো মানবসম্পদ ও প্রযুক্তি দক্ষতা উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ১৩ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। ডিজিটাল গভার্নমেন্ট ও অর্থনীতি সমৃদ্ধিকরণ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ৫৪১ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। সেচ অবকাঠামো পুনর্বাসন প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৩২২ কোটি ৯৯ লাখ টাকা।

ক্লাইমেট স্মার্ট এগ্রিকালচার অ্যান্ড ওয়াটার ম্যানেজমেন্ট প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ১৮২ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। বৃহত্তর নোয়াখালী জেলার পলস্নী অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৩১৩ কোটি টাকা।

শেয়ার করুন: