স্টাফ রিপোর্ট :
পাবনা সদর উপজেলার পাবনা সুজনগর মহাসড়কের কোল ঘেসে দুবলিয়া অবস্থিত। দুবলিয়া নানা কারণে একটি ঐতিহ্যবাহী স্থান। এখানে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বে-সরকারি উন্নয়ন সংস্থা, এনজিও, ব্যাংক, বীমা অফিস, ডিগ্রী কলেজ, উচ্চ বিদ্যালয়, বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, দুবলিয়া হাই কেয়ার কিন্ডার গার্ডেন, এইচ কে কিন্ডার গার্টেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মসজিদ মক্তব, মাদ্রাসা বিভিন্ন ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান, গ্রামীণ ব্যাংক অফিস, বিখ্যাত কাঠের ব্যবসা, নানা ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান, পোস্ট অফিস, স্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এখানে অবস্থিত। পাশাপাশি দুবলিয়ায় একটি ঐতিহ্যবাহী হাট রয়েছে। সপ্তাহে প্রতি শুক্র ও সোমবার হাট বসে। এই হাটটি ভাড়ারা, চরতারাপুর ও সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের প্রাণ কেন্দ্রে অবস্থিত। দুবলিয়ায় নানান ধরনের প্রতিষ্ঠান থাকায় এলাকাটি ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। অনেক আগে দুবলিয়া হাটের জন্য যে পরিমাণ জায়গা ছিল বর্তমান সেই পরিমান জায়গা বিদ্যমান। এলাকায় লোক বসতি বৃদ্ধি পাওয়ায় হাটের জায়গা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। কেননা হাটে যে পরিমান জায়গা ছিল তাও এখন কমতে শুরু করছে। হাটের মধ্যে দোকান পাঠ বসায় হাটের জায়গা সংকট হচ্ছে। এ অবস্থায় হাটটি নানা সমস্যার জর্জরিত। বৃষ্টি হলে হাটের মধ্যে ড্রেনের ব্যবস্থা পযাপ্ত না থাকায় চলাচলের রাস্তাটি কাদায় পরিপূর্ণ হয়ে যায়। সামান্য বৃষ্টি হলে পানি নিষ্কাশনের তেমন ব্যবস্থা না থাকায় রাস্তার উপর পানি জমে থাকে। জনসাধারণের চলাচলের ভীষণ অসুবিধা হয়। বৃষ্টি হলে মানুষ জন চলাফেরা করতে পারেনা, অসহনীয় কষ্টের মধ্যে সাধারণ মানুষের চলাচল করতে হয়। হাটের মধ্যে যে জায়গা ছিল আস্তে আস্তে ছোট ছোট ব্যবসায়ীরা জায়গা দখলে নিচ্ছে কিন্তু হাটের জায়গা বাড়ছে না। এরই মধ্যে হাটে তহশিল অফিস স্থাপন করা হয়েছে, ফলে জায়গা আরো কমে গেছে। এখন হাটের জায়গা বৃদ্ধি করা জরুরী দরকার। এলাকার জনসাধারণ হাটের জায়গা সম্প্রসারণের জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে আহ্বান জানান। জনসাধারণ মনে করেন মাটের জায়গা বৃদ্ধি না করলে এই অল্প জায়গার মধ্যে চলাচল আরও কঠিন হবে। হাটে সাইডে সামান্য ট্রেনের ব্যবস্থা থাকলেও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার অভাবে তা ব্যবহার অনুপযোিগ হয়ে পড়েছে। হাটে মধ্যে একটি সরকারি ঘর রয়েছে, ঘরে কে কি করে অনেকেই তা জানেনা। কারা ব্যবহার করছে ঘরটি সাধারণ মানুষ জানতে চায়। এ অবস্থার প্রেক্ষিতে নানা সমস্যায় জর্জরিত দুবলিয়া হাটটির জায়গা সম্প্রসারণ করাসহ সংস্কার করা প্রয়োজন। মাছের হাটের সেড অনেকেই স্থায়ী দখলে নিয়েছে। এটা খুবই খারাপ বলে এলাকার সাধারণ মানুষ মনে করেন। ছেট ছোট ব্যবসায়ীরা হাটের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য করলেও কাপড় হাটের পাশে রাস্তাটি চলাচলের অনুপযোগী। সামান্য বৃষ্টি হলে রাস্তাটি কাদামাখা হয়ে যায়। এ অবস্থার প্রেক্ষিতে ঐতিহ্যবাহী দুবলিয়ার হাটটি সম্প্রসারণ করে পরিকল্পিত সংস্কার করা জরুরী বলে এলাকার সাধারণ মানুষ কর্তৃপক্ষের প্রতি বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। হাটের জায়গা বৃদ্ধি করে সংস্কার কাজ দ্রুত করা প্রয়োজন। হাটের পয়ঃনিস্কাশন সহ ল্যাট্রিন নিয়মিত পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করা দরকার বলে হাটের সাধারণ মানুষ মনে করেন।
