দেশের ক্রীড়াবান্ধব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সংবর্ধনা পাচ্ছেন জামাল ভূঁইয়া, মারিয়া মান্ডারাসহ ফিজিক্যাল চ্যালেঞ্জড ক্রিকেট দলের সদস্যরা। আজ সকাল ১০টায় তিন দলের প্রায় ৬৬ জন ক্রীড়াবিদ ও ২২ কর্মকর্তা প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে সংবর্ধনা গ্রহণ করবেন বলে গতকাল যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। স্বাধীনতার ৫০তম বছরে বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে সবচেয়ে বড় সাফল্য এনেছেন নারী ফুটবলাররা। ২০২১ সালের ডিসেম্বরে ঘরের মাঠে সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন মারিয়া মান্ডা-তহুরা খাতুনরা। ২০২০ সালে মুজিববর্ষ ফিফা আন্তর্জাতিক সিরিজে নেপাল জাতীয় দলের বিপক্ষে দুই ম্যাচের সিরিজে বাংলাদেশ জাতীয় দল এক ম্যাচে জয় পেয়ে এবং অন্যটিতে ড্র করে ট্রফি জিতে নেয়। নেপালের বিপক্ষে ওই সিরিজ জয়ের জন্য জামাল ভূঁইয়া বাহিনী পাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে সম্মাননা। পুরুষ ও নারী ফুটবল দলের পাশাপাশি সম্প্রতি কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত চারজাতি ফিজিক্যালি চ্যালেঞ্জড ক্রিকেট টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ দলকেও দেয়া হবে সংবর্ধনা। একই অনুষ্ঠানে তিন দলের ক্রীড়াবিদ ও কর্মকর্তারা পাবেন এই সংবর্ধনা।
অনান্য খবর
রাজধানীতে ‘কৃষকের বাজার’ উদ্বোধন
সার-কীটনাশকমুক্ত শাকসবজি ও দানাদার শস্য নিয়ে রাজধানীতে কৃষি মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে চালু হলো ‘কৃষকের বাজার’। সপ্তাহে শুক্র ও শনি দু’দিন…
পিলখানা হত্যাকাণ্ডে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন
পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ১৩ বছর পূর্ণ হলো আজ। এ উপলক্ষে পিলখানা হত্যাকাণ্ডে শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়েছে। আজ শুক্রবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা ১৩ মিনিটে বনানীস্থ সামরিক কবরস্থানে শহীদদের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শাহাদাত বরণকারী সেনাকর্মকর্তাদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়েছে। প্রথমে রাষ্ট্রপতির পক্ষে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এস এম সালাহ উদ্দিন ইসলাম ও প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল নকিব আহমদ চৌধুরী সেনাবাহিনীর শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। এছাড়া সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ, নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম শাহীন ইকবাল ও বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল শেখ আব্দুল হান্নান একসঙ্গে শ্রদ্ধা জানান শহীদের প্রতি। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষে সিনিয়র সচিব (জননিরাপত্তা বিভাগ) আখতার হোসেন ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাফিনুল ইসলাম শ্রদ্ধা জানান। এরপর একে একে শহীদ পরিবারের সদস্যগণ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এছাড়া বিএনপি, জাতীয় পার্টি এবং র্যাবের পক্ষ থেকেও শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়েছে। পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে শহীদদের প্রতি সম্মান প্রদর্শনে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এ সময় কর্মরত সামরিক সদস্যগণ স্যালুট প্রদান করেন। পরে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। এছাড়াও এদিন সকল সেনানিবাসের কেন্দ্রীয় মসজিদে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে সব স্তরের সেনাসদস্যগণের উপস্থিতিতে মিলাদ মাহফিল ও বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে হবে ‘বঙ্গবন্ধু চেয়ার’
বাংলাদেশের স্বাধীনতা এবং ভারত-বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সম্মান জানিয়ে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে…
