বেড়ার প্রত্যন্ত অঞ্চলে বইমেলা!

শেয়ার করুন:

নিজস্ব প্রতিবেদক :

“পড়িলে বই আলোকিত হই, না পড়িলে বই অন্ধকারে রই…” পাবনা জেলার বেড়া উপজেলায় দয়ালনগর গ্রামে দয়ালনগর বাহারুন্নেছা পাবলিক লাইব্রেরিতে ১৪তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে গত ২০ ও ২১ ফ্রেব্রুয়ারি ২ দিন ব্যাপী বইমেলা ২১ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৭ ঘটিকায় সমাপ্ত হয়। লাইব্রেরির ১৪ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বই মেলা, ফ্রী স্বাস্থ্য সেবা, নাচ গান কবিতা আবৃত্তির আয়োজন করা হয়। দুই দিন ব্যাপি বই মেলা ২০/২/২০২৫ সকাল দশ ঘটিকায় উদ্বোধন করেন জেলা লাইব্রেরি কর্মকর্তা মো. এনামুল হক। আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধান অতিথি এম এ বাতেন খান, প্রতিষ্ঠাতা-চেয়ারম্যান, দয়ালনগর বাহারুন্নেসা পাবলিক ও বিকে ফাউন্ডেশন এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিডিডিএল প্রপার্টিজ লিমিটেড। অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন কবি ও সাহিত্যিক আলাউল হোসেন, প্রভাষক বাংলা বিভাগ, মাশুমদিয়া খন্দকার জোবেদা বেগম ডিগ্রি কলেজ, নিরাপদ খাদ্য বিশেষজ্ঞ মিজানুর রহমান, কনসালটেন্ট পিকেএসএফ মাহমুদা সবুজ পান্না, ব্যবস্থাপনা পরিচালক সিনথি পাঠশালা, মো: খন্দকার আরজু প্রতিষ্ঠাতা মাশুমদিয়া ভবানীপুর বিজ্ঞান স্কুল, অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আবুল কাসেম প্রামাণিক। শুভেচ্ছা ও স্বাগত বক্তব্য দেন ইঞ্জিনিয়ার আবু সায়েম প্রামাণিক, অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন লাইব্রেরির সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম। মেলা প্রাঙ্গণটি কবি সাহিত্যিক, গুনিজন, বিভিন্ন পেশার মানুষ,  বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও ছাত্র-ছাত্রীদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠে। ২য় দিনে ৭.৩০ মিনিট  লাইব্রেরির প্রতিষ্ঠা বার্ষিক ও শহীদ দিবস  আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও শ্রদ্ধাঞ্জলি,  আলোচনা সভা ও ভাষা শহীদদের  আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া মাহফিল করা হয়। সকাল দশ ঘটিকায় ফ্রী স্বাস্থ্য ক্যাম্প এর আয়োজন করা হয়। ফ্রী স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্রটি উদ্বোধন করেন ডাক্তার এস এম আব্দুর রাজ্জাক, সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান, জাতীয় বক্ষব্যাধি ইন্সটিটিউট ও হাসপাতাল, ঢাকা। পরিশেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও অতিথিদের সম্মাননা স্মারক এবং বিজীয়দের পুরস্কার বিতরনীর মাধ্যমে দুই দিন ব্যাপি বই মেলার সমাপ্ত করা হয়। বই মেলাটি এলাকার মাঝে ব্যাপকভাবে উৎসাহ উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে। অতিথি ও বই লাইব্রেরির দোকান মালিকগণ তাদের বক্তব্যতে বলেন, বইমেলা আয়োজক কর্তৃপক্ষ প্রতি বছর বই মেলার আয়োজন অব্যাহত রাখলে এলাকার স্কুল কলেজ পড়ুয়া কোমলমতি শিক্ষার্থীরা মাদক ও মোবাইল আসক্ত থেকে বই পড়ার প্রতি আগ্রহ বাড়বে এবং লাইব্রেরীমুখি হবে। কবি সাহিত্যিক এবং অতিথিরা আরও বলেন, পাবনা জেলার প্রত্যন্ত গ্রামে এই রকম একটা বই মেলা প্রশংসনীয় অবদান রেখেছে।

শেয়ার করুন: