কামরুজ্জামান টিপু :
পাবনা সাঁথিয়া উপজেলা কাশীনাথপুরের কৃতি সন্তান শিক্ষা ও প্রগতিশীল রাজনীতিবিদ অধ্যক্ষ আমিনুল হক মিয়ার ২৫ তম মৃত্যুবার্ষিকী। ২৭ই ফেব্রুয়ারী ১৯৯৮সালে তিনি মৃত্যু বরং করেন।
আমাদের পরিবার, তাঁরবহু অনুরাগী, অনুসারীদের রেখে গেছেন তাঁর আদর্শ একটি শিক্ষিত ও উন্নত জাতি গঠনের মহান দ্বায়িত্ব।
অধ্যক্ষ আমিনুল হক মিয়া নাকালিয়া সাড়াশিয়া উচ্চ বিদ্যালয়হতে মেট্রিক,এইচ এস সি নটরডেম কলেজ ঢাকা, গ্রাজুয়েট জগন্নাথ কলেজ, মাস্টার্স ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
কর্মজীবন: ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে মানিকগঞ্জ জেলার সিংরাই উপজেলার চারিগ্রাম বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়ের ও ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জ পার জোয়ার উচ্চ বিদ্যালয়ের রেক্টর হিসেবে কর্মরত ছিলেন, এবং পাবনা জেলার সদর উপজেলায় দুবলিয়া হাজী জসিমউদ্দীন মহাবিদ্যালয়ে প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ হিসাবে দ্বায়িত্ব পালন করেন, বগুড়া জেলার ধুনট উপজেলায়, মহিলা কলেজর অধ্যক্ষ এবং সিরাজগঞ্জ জেলার হরিপুরে, মরহুম মোহাম্মদ নাসিম বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারের মাননীয়, স্বরাষ্ট্র , ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী, ডঃ সেলিম সাহেবের অনুরোধে প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাক্ষ হিসাবে গড়ে তুলেন আমেনা মুনসুর মহিলা কলেজ।
উক্ত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত অবস্থায় অধ্যক্ষ আমিনুল হক মিয়া মৃত্যুবরন করেন।
অধ্যক্ষ আমিনুল হক মিয়া মুক্ত চিন্তা যুক্তি বাদি সচেতন স্বদেশ দেশ প্রমিক মানুষ হিসেবে স্বাধীনতার পক্ষে সংগঠক হিসেবে কাজ করেছেন।
বাংলাদেশের আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। চট্রগ্রাম শহর বাগমনিরাম আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। বগুড়া জেলার ধুনট উপজেলার আওয়ামী লীগের সহ- সভাপতি ছিলেন। ১৯৭০সালে সাঁথিয়া, বেড়া আসন থেকে এমপি পদ প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করেছিলেন।মুক্তিযোদ্ধা চলাকালীন ১৯শে এপ্রিল ডাব্বা গান যুদ্ধের সংগঠক ও অংশগ্রহণ করেন এবং চট্টোগ্রামে মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন, মৌলভী সৈয়দ আহমেদ নিকট প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেনঐ সময় আওয়ামীলীগর নেতা, জহুর আহমেদ চৌধুরী, হান্নান সাহেব এম, এ মান্নান সাহেব ও মোশারফ হোসেন নেতৃবৃন্দের নেতৃত্তে যুদ্ধ করেছেন। উনি একজন স্বক্রিয় মুক্তিযুদ্ধা ছিলেন। সর্বোপরি তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক ও সফল উদ্যোক্তা ।
কাশীনাথপুর প্রেসক্লাব ৬৬৮২- পাবনা এর সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান টিপুর পিতা অধ্যক্ষ আমিনুল হক মিয়াএবং আসাদুজ্জামান বিকাশ এর দাদা। পরিবারের পক্ষ হতে তার আত্মার শান্তি কামনা করছি।
