দৈনিক বাংলাদেশ সমাচারের ১১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা :
জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনের পরিকল্পনা, বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা
এ কে খান :
রাজধানীর মতিঝিলে দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকার প্রধান কার্যালয়ে পত্রিকাটির ১১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।মঙ্গলবার ৩ নভেম্বর পত্রিকার প্রধান কার্যালয়ে সম্পাদক ও প্রকাশক, বহুমুখী শিল্পপ্রতিভার অধিকারী ড. খান আসাদুজ্জামানের সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় আগামী নভেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহ অথবা ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে দৈনিক বাংলাদেশ সমাচারের ১১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনের সম্ভাব্য সময় নির্ধারণ ও অনুষ্ঠানটি কী আঙ্গিকে, কী পরিসরে ও কী কী কর্মসূচির মাধ্যমে আয়োজন করা হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী অনুষ্ঠানকে স্মরণীয় ও বর্ণাঢ্য করে তুলতে বিভিন্ন পরিকল্পনা, কর্মসূচি বাস্তবায়ন ও সাংগঠনিক প্রস্তুতির নানা দিক নিয়ে মতবিনিময় করেন উপস্থিত সাংবাদিকগন।সভাপতির বক্তব্যে ড. খান আসাদুজ্জামান বলেন, দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার প্রতিষ্ঠার পর থেকে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন, সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতা এবং দেশ ও মানুষের কল্যাণে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের প্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। একটি সংবাদপত্রের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী শুধু আনন্দ-উৎসবের আয়োজন নয়, এটি প্রতিষ্ঠানের অর্জন, সাফল্য, সীমাবদ্ধতা ও ভবিষ্যৎ কর্ম পরিকল্পনা পর্যালোচনারও গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ।তিনি আরও বলেন, পত্রিকার ১১ বছরের পথচলাকে আরো গতিশীল, বেগবান ও অর্থবহ করতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনে এমন কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে, যাতে পত্রিকার পাঠক, শুভানুধ্যায়ী, সাংবাদিক, লেখক, বিজ্ঞাপনদাতা ও সংশ্লিষ্ট সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়। একই সাথে পত্রিকার সুনাম, গ্রহণযোগ্যতা ও পাঠকপ্রিয়তা বৃদ্ধিতে প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।তিনি প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠান সফল করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকতা, নিষ্ঠা ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান। সভায় দৈনিক বাংলাদেশ সমাচারের হেড অব মার্কেটিং মো. আমিনুল ইসলাম, মো. রাসেল হোসেন, মিরাজুল ইসলাম, আব্দুর রহিম সজীব, সাব্বির রহমানসহ পত্রিকার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্টাফরা উপস্থিত ছিলেন।সভায় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপনের সার্বিক পরিকল্পনা, অতিথি আমন্ত্রণ, অনুষ্ঠান ব্যবস্থাপনা ও সম্ভাব্য কর্মসূচি বাস্তবায়নের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।আগামীতে সংশ্লিষ্টদের সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে চূড়ান্ত কর্মসূচি নির্ধারণের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।
