ডাঃ জোবাইদা রহমানের জন্মদিনে বগুড়া অ্যাজমা সেন্টারকে বহুমুখী হাসপাতাল ঘোষণা
এ কে খান :
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি’র চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সহধর্মিণী, বিশিষ্ট হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ জোবাইদা রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে বগুড়ায় এক ঐতিহাসিক স্বাস্থ্যসেবা উদ্যোগের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। প্রায় দুই দশক ধরে বন্ধ থাকা শহীদ জিয়াউর রহমান শিশু হাসপাতালের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বগুড়া অ্যাজমা সেন্টারকে বৃহদাকার বহুমুখী হাসপাতাল হিসেবে ঘোষণা করা হয়। বৃহস্পতিবার ১৮ জুন বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান শিশু হাসপাতাল প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বগুড়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ রেজাউল করিম বাদশা। অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ কামরুজ্জামান চৌধুরী উদ্বোধক হিসেবে আনুষ্ঠানিক ভাবে হাসপাতালটির কার্যক্রম উদ্বোধন করেন ও বগুড়া অ্যাজমা সেন্টারকে একটি বৃহদাকার বহুমুখী হাসপাতালে রূপান্তরের ঘোষণা দেন। বক্তারা বলেন, দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর ধরে বন্ধ থাকা শহীদ জিয়াউর রহমান শিশু হাসপাতাল পুনরায় চালু হওয়ায় উত্তরাঞ্চলের শিশু স্বাস্থ্যসেবায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হলো। একই সঙ্গে অ্যাজমা সেন্টারকে আধুনিক বহুমুখী হাসপাতালে উন্নীত করার ফলে বগুড়াসহ আশপাশের জেলার সাধারণ মানুষ উন্নত চিকিৎসাসেবা গ্রহণের সুযোগ পাবে। প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, সরকারের লক্ষ্য হলো জনগণের দোর গোড়ায় উন্নত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া। স্বাস্থ্য খাতের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও আধুনিকায়নের মাধ্যমে চিকিৎসাসেবার মান আরও বৃদ্ধি করা হবে। সভাপতির বক্তব্যে সংসদ সদস্য মোঃ রেজাউল করিম বাদশা বলেন, উত্তরবঙ্গের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ছিল এই হাসপাতালটির কার্যক্রম পুনরায় চালু করা। আজকের এই উদ্যোগ স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে। অনুষ্ঠানে বগুড়ার অন্যান্য সংসদ সদস্য, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সমাজসেবক, আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের পরিচালক দেশের শীর্ষ পর্যায়ের ও আন্তর্জাতিক মানের বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা আধুনিক টিএমএসএস’র প্রতিষ্ঠাতা ডক্টর হোসনে-আরা বেগম, স্বাস্থ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, প্রশাসনের বিভিন্ন প্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, চিকিৎসক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি,নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও মিডিয়া কর্মী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে হাসপাতালটির বিভিন্ন বিভাগ পরিদর্শন করা হয় এবং উপস্থিত অতিথিরা আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম ও সেবার মানোন্নয়নের বিভিন্ন পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত হন। সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, শিশু হাসপাতালের পুনরায় যাত্রা এবং অ্যাজমা সেন্টারকে বহুমুখী হাসপাতালে উন্নীত করার মাধ্যমে উত্তরাঞ্চলের স্বাস্থ্যসেবায় এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে।
ডাঃ জোবাইদা রহমানের জন্মদিনে বগুড়া অ্যাজমা সেন্টারকে বহুমুখী হাসপাতাল ঘোষণা
