ই-সিগারেট কারখানা স্থাপনের অনুমোদন না দেয়ার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে প্রজ্ঞা-আত্মা
ঢাকা, [০২ আগস্ট], ২০২৫ — দেশে ই-সিগারেট/ইলেকট্রনিক নিকোটিন ডেলিভারি সিষ্টেম (ENDS) যন্ত্র ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য পণ্য উৎপাদন বন্ধ এবং এ সংক্রান্ত কোন ধরনের কারখানা স্থাপনের অনুমতি প্রদান না করার সরকারি নির্দেশনাকে স্বাগত জানিয়েছে গবেষণা ও অ্যাডভোকেসি প্রতিষ্ঠান প্রজ্ঞা (প্রগতির জন্য জ্ঞান) এবং অ্যান্টি-টোবাকো মিডিয়া এলায়েন্স (আত্মা)। এজন্য বিশেষ করে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়কে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছে সংগঠন দুটি।
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে প্রেরিত এই নির্দেশনায় জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং ভবিষ্যত প্রজন্মকে নিরাপদ রাখতে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণের কথা বলা হয়েছে। এবিষয়ে এক প্রতিক্রিয়ায় প্রজ্ঞা’র নির্বাহী পরিচালক এবিএম জুবায়ের বলেন, “এ সিদ্ধান্ত দেশের জনস্বাস্থ্য রক্ষার জন্য এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ এবং এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে নিকোটিন আসক্তি থেকে রক্ষা করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”
বর্তমানে ই-সিগারেট ও অনুরূপ নিকোটিন পণ্য তরুণদের মধ্যে দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক সংকট সৃষ্টি করছে। এসব পণ্যে ব্যবহৃত রাসায়নিক পদার্থ ও নিকোটিন শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর এবং অনেক দেশে এগুলো ব্যবহারের ফলে মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকি বাড়ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও ই-সিগারেট নিষিদ্ধ বা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণের পরামর্শ দিয়ে আসছে। তরুণদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য ভ্যাপিং আসক্তি ঠেকাতে শ্রীলঙ্কা, ভারত, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুরসহ ৪২টি দেশ এসব পণ্য নিষিদ্ধ করেছে।
প্রজ্ঞা ও আত্মা আশা করে, সরকার দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিদ্যমান তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন করে ই-সিগারেট, ভ্যাপিং, হিটেড টোব্যাকো প্রোডাক্টসহ এধরনের সকল পণ্য উৎপাদন, আমদানি, ও ক্রয়-বিক্রয় সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করবে।
ঢাকা, [০২ আগস্ট], ২০২৫ — দেশে ই-সিগারেট/ইলেকট্রনিক নিকোটিন ডেলিভারি সিষ্টেম (ENDS) যন্ত্র ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য পণ্য উৎপাদন বন্ধ এবং এ সংক্রান্ত কোন ধরনের কারখানা স্থাপনের অনুমতি প্রদান না করার সরকারি নির্দেশনাকে স্বাগত জানিয়েছে গবেষণা ও অ্যাডভোকেসি প্রতিষ্ঠান প্রজ্ঞা (প্রগতির জন্য জ্ঞান) এবং অ্যান্টি-টোবাকো মিডিয়া এলায়েন্স (আত্মা)। এজন্য বিশেষ করে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়কে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছে সংগঠন দুটি।
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে প্রেরিত এই নির্দেশনায় জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং ভবিষ্যত প্রজন্মকে নিরাপদ রাখতে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণের কথা বলা হয়েছে। এবিষয়ে এক প্রতিক্রিয়ায় প্রজ্ঞা’র নির্বাহী পরিচালক এবিএম জুবায়ের বলেন, “এ সিদ্ধান্ত দেশের জনস্বাস্থ্য রক্ষার জন্য এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ এবং এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে নিকোটিন আসক্তি থেকে রক্ষা করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”
বর্তমানে ই-সিগারেট ও অনুরূপ নিকোটিন পণ্য তরুণদের মধ্যে দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক সংকট সৃষ্টি করছে। এসব পণ্যে ব্যবহৃত রাসায়নিক পদার্থ ও নিকোটিন শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর এবং অনেক দেশে এগুলো ব্যবহারের ফলে মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকি বাড়ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও ই-সিগারেট নিষিদ্ধ বা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণের পরামর্শ দিয়ে আসছে। তরুণদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য ভ্যাপিং আসক্তি ঠেকাতে শ্রীলঙ্কা, ভারত, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুরসহ ৪২টি দেশ এসব পণ্য নিষিদ্ধ করেছে।
প্রজ্ঞা ও আত্মা আশা করে, সরকার দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিদ্যমান তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন করে ই-সিগারেট, ভ্যাপিং, হিটেড টোব্যাকো প্রোডাক্টসহ এধরনের সকল পণ্য উৎপাদন, আমদানি, ও ক্রয়-বিক্রয় সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করবে।
