রোহিঙ্গাদের জন্য দিনে লক্ষ টাকার সিগারেট-বিড়ি বিক্রি’

শেয়ার করুন:

 

স্থানীয়রা বলছেন, বাজারে চাল, মাছC__Data_Users_DefApps_AppData_INTERNETEXPLORER_Temp_Saved Images__97775687_rohingya1 থেকে শুরু করে প্রায় প্রতিটি জিনিসের দাম বেড়েছে।

টেকনাফের স্থানীয় বাসিন্দা এবং বাংলা একাডেমির আজীবন সদস্য আদিল চৌধুরি বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন, রোহিঙ্গাদের একটি বড় অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র রয়েছে তার উপজেলায়। সেই সঙ্গে আছে প্রতিদিনই মিয়ানমার থেকে নতুন নতুন মানুষের অব্যাহত আগমন।

ফলে স্থানীয় বাজারে প্রত্যেকটি জিনিসের দাম বেড়েছে। চাল, ডাল, মাছ আর আলুর মত নিত্য প্রয়োজনীয় সব পণ্যের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। আর বিক্রিও হচ্ছে প্রচুর পরিমাণে।

মি. চৌধুরি জানিয়েছেন, টেকনাফে কর্মরত সিগারেট কোম্পানির ডিলারদের কাছ থেকে তিনি জেনেছেন সেখানে তিনদিন তিন লক্ষ টাকার সিগারেট এবং বিড়ি বিক্রি হয়েছে। অর্থাৎ দিনে লক্ষ টাকার সিগারেট ও বিড়ি বিক্রি হয়।

দোকানিরা বাড়তি জনসংখ্যার চাপকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করেও দাম বাড়াচ্ছে বিভিন্ন পণ্যের।

কিন্তু বাজারে প্রয়োজনীয় পণ্যের সরবারহ বাড়েনি। ফলে দাম বাড়ানোর জন্য সেটিও দায়ী বলে মনে করেন মি. চৌধুরি।

আর পুরো অবস্থার জন্য স্থানীয় মানুষদের ভোগান্তি বেড়েছে।

মি. চৌধুরি আরো বলছিলেন, রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আসার ফলে বাংলাদেশের স্থানীয় শ্রমিকদের জন্য বাজার সংকুচিত হয়ে পড়েছে।

অনেক রোহিঙ্গা আশ্রয়কেন্দ্রে না থেকে আশেপাশে আত্মীয়-বাড়িতে কিংবা বাসা ভাড়া করে থাকতে শুরু করেছে। এরপর তারা স্থানীয় শ্রম বাজারেও ঢুকে পড়ছে।

আর সংখ্যায় অনেক হওয়ায়, তাদের চিহ্নিত করা যায় না অনেক সময়। সেকারণে স্থানীয় মানুষদের কাজের সুযোগ সংকুচিত হয়ে পড়ছে।

বাংলাদেশে কক্সবাজার এলাকায় গত তিন সপ্তাহে চার লাখের বেশি রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে।

যদিও সীমান্তরক্ষী ও স্থানীয় পুলিশ বলছে, এ সংকটময় পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে ব্যবসা করার অভিযোগ উঠলে এর সাথে জড়িত লোকদের ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে সাজা দেয়া হচ্ছে।

  1. কিন্তু স্থানীয়রা মনে করেন, পরিস্থিতির কারণেই কর্তৃপক্ষ অনেক সময় ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারেনা।
শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *