বগুড়ায় রাকাব এমডি গোলাম মরতুজার ঐতিহাসিক জিয়াবাড়ি পরিদর্শন

বগুড়ায় রাকাব এমডি গোলাম মরতুজার ঐতিহাসিক জিয়াবাড়ি পরিদর্শন : জিয়ার স্মৃতিবিজড়িত স্থানে রাকাব কর্মকর্তাদের শ্রদ্ধা নিবেদন।
শেয়ার করুন:

বগুড়ায় রাকাব এমডি গোলাম মরতুজার ঐতিহাসিক জিয়াবাড়ি পরিদর্শন : জিয়ার স্মৃতিবিজড়িত স্থানে রাকাব কর্মকর্তাদের শ্রদ্ধা নিবেদন।
এ কে খান :
রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোলাম মরতুজা বগুড়ার গাবতলীতে অবস্থিত ঐতিহাসিক জিয়াবাড়ি পরিদর্শন করেছেন। শুক্রবার ২২মে আয়োজিত এ সফরে রাকাবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের একটি প্রতিনিধি দল তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন। ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক ভাবে গুরুত্বপূর্ণ এ স্থানটি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্মৃতি বিজড়িত হিসেবে পরিচিত। দীর্ঘদিন ধরে জিয়াবাড়ি জাতীয় রাজনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক ও ইতিহাসের অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। পরিদর্শনকালে এমডি গোলাম মরতুজা জিয়াবাড়ির বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব সম্পর্কে অবহিত হন। এ সময় তিনি বলেন, দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও রাজনৈতিক স্মৃতিকে ধারণ করে থাকা স্থানগুলো নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আরও বলেন ঐতিহাসিক স্থানগুলো আমাদের জাতীয় চেতনা ও দেশপ্রেমকে সমৃদ্ধ করে। এসব স্থানের সংরক্ষণ এবং যথাযথ মর্যাদা নিশ্চিত করা সবার দায়িত্ব। এমডি’র সফর সঙ্গীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রাকাব রাজশাহী অঞ্চলের জেনারেল ম্যানেজার মোঃ মিজানুর রহমান, প্রধান কার্যালয়ের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মোঃ শাহিনুর ইসলাম, নওগাঁ জোনের জোনাল ব্যবস্থাপক ও ডিজিএম মোঃ রুহুল আমিন, বগুড়া দক্ষিণ জোনের জোনাল ব্যবস্থাপক মোঃ আনিসুর রহমান এবং বগুড়া উত্তর জোনের জোনাল ব্যবস্থাপক মোঃ বেলাল হোসেন প্রমুখ। এছাড়াও স্থানীয় বিভিন্ন শাখার শাখা ব্যবস্থাপক ও গাবতলী উপজেলায় কর্মরত রাকাব কর্মকর্তাবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন। কর্মকর্তারা জিয়াবাড়ির ঐতিহাসিক পটভূমি স্মরণ করেন এবং সেখানে কিছু সময় অতিবাহিত করেন। স্থানীয়দের মতে, জিয়াবাড়ি শুধু একটি বাসভবন নয়, বরং বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য বহনকারী একটি ঐতিহাসিক নিদর্শন। বিভিন্ন সময় দেশের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, গবেষক ও দর্শনার্থীরা এ স্থান পরিদর্শনে আসেন। রাকাব কর্মকর্তাদের এ সফর স্থানীয়দের মধ্যেও ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।অনেকেই মনে করছেন, জাতীয় ইতিহাস ও ঐতিহ্যের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের এমন উদ্যোগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দেশীয় ইতিহাস সম্পর্কে আরও সচেতন করে তুলবে। এ সময় উপস্থিত রাকাব কর্মকর্তারা তাদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করেন।

শেয়ার করুন: