পাবনা সদর উপজেলা অডিটোরিয়ামে কৃষকদের মাঝে বীজ-সার ও চেক বিতরণ
পাবনা প্রতিনিধি :
পাবনা সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের কৃষকদের মাঝে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ ও শাকসবজির আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষকদের মাঝে বীজ, সার ও নগদ সহায়তার চেক বিতরণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে উৎপাদিত পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য কৃষকদের মাঝে এয়ার ফ্লো মেশিন বিতরণ কার্যক্রমেরও উদ্বোধন করা হয়। বুধবার ২৬ আগস্ট পাবনা সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে পাবনা সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কর্তৃক এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন পাবনা-৫ সদর আসনের সংসদ সদস্য এ্যাড, মো. শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন পাবনা সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ জাকিরুল ইসলাম। অনুষ্ঠানপ সভাপতিত্ব করেন পাবনা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তামারা তাসবিহা। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাবনা বার সমিতির সভাপতি ও জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মাকসুদুর রহমান মাসুদ খন্দকার, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আব্দুস সামাদ মন্টু খান। এছাড়াও জেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহবায়ক শেখ তুহিন, সদর উপজেলা বিএনপ’র সাবেক সভাপতি একেএম মুছা ও সাবেক সেক্রটারি রেহানুল ইসলাম বুলাল প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে পাবনা সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত নির্বাচিত কৃষকদের মধ্যে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ ও শাকসবজি চাষের জন্য প্রয়োজনীয় বীজ ও সার এবং প্রণোদনার চেক বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি উৎপাদিত পেঁয়াজের সঠিক সংরক্ষণ ও সংরক্ষণ-পরবর্তী ক্ষতি কমানোর লক্ষ্যে এয়ার ফ্লো মেশিন বিতরণ কার্যক্রমেরও সূচনা করা হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, দেশের কৃষি উৎপাদন বাড়াতে কৃষকদের আধুনিক প্রযুক্তি ও কৃষি উপকরণ ব্যবহারে উৎসাহিত করা জরুরি। বিশেষ করে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ ও বিভিন্ন ধরনের শাকসবজির আবাদ বাড়ানো গেলে একদিকে কৃষকের আয় বাড়বে, অন্যদিকে দেশের বাজারে কৃষিপণ্যের সরবরাহও বৃদ্ধি পাবে। উৎপাদিত পেঁয়াজ সংরক্ষণের আধুনিক ব্যবস্থা চালু করা গেলে সংরক্ষণজনিত অপচয় কমিয়ে কৃষকরা উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য পাওয়ার সুযোগ পাবেন। কৃষি কর্মকর্তা জানান, কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় কমানো, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো এবং নিরাপদ ও লাভজনক কৃষি উৎপাদনে উৎসাহিত করার উদ্দেশ্যেই কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় এসব সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ ও শাকসবজির আবাদ সম্প্রসারণের পাশাপাশি কৃষকদের কৃষিভিত্তিক আয় বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে। অনুষ্ঠানে সুবিধাভোগী কৃষক, উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং গণমাধ্যম কর্মী প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।
পাবনা প্রতিনিধি :
পাবনা সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের কৃষকদের মাঝে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ ও শাকসবজির আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষকদের মাঝে বীজ, সার ও নগদ সহায়তার চেক বিতরণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে উৎপাদিত পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য কৃষকদের মাঝে এয়ার ফ্লো মেশিন বিতরণ কার্যক্রমেরও উদ্বোধন করা হয়। বুধবার ২৬ আগস্ট পাবনা সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে পাবনা সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কর্তৃক এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন পাবনা-৫ সদর আসনের সংসদ সদস্য এ্যাড, মো. শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন পাবনা সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ জাকিরুল ইসলাম। অনুষ্ঠানপ সভাপতিত্ব করেন পাবনা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তামারা তাসবিহা। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাবনা বার সমিতির সভাপতি ও জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মাকসুদুর রহমান মাসুদ খন্দকার, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আব্দুস সামাদ মন্টু খান। এছাড়াও জেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহবায়ক শেখ তুহিন, সদর উপজেলা বিএনপ’র সাবেক সভাপতি একেএম মুছা ও সাবেক সেক্রটারি রেহানুল ইসলাম বুলাল প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে পাবনা সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত নির্বাচিত কৃষকদের মধ্যে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ ও শাকসবজি চাষের জন্য প্রয়োজনীয় বীজ ও সার এবং প্রণোদনার চেক বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি উৎপাদিত পেঁয়াজের সঠিক সংরক্ষণ ও সংরক্ষণ-পরবর্তী ক্ষতি কমানোর লক্ষ্যে এয়ার ফ্লো মেশিন বিতরণ কার্যক্রমেরও সূচনা করা হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, দেশের কৃষি উৎপাদন বাড়াতে কৃষকদের আধুনিক প্রযুক্তি ও কৃষি উপকরণ ব্যবহারে উৎসাহিত করা জরুরি। বিশেষ করে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ ও বিভিন্ন ধরনের শাকসবজির আবাদ বাড়ানো গেলে একদিকে কৃষকের আয় বাড়বে, অন্যদিকে দেশের বাজারে কৃষিপণ্যের সরবরাহও বৃদ্ধি পাবে। উৎপাদিত পেঁয়াজ সংরক্ষণের আধুনিক ব্যবস্থা চালু করা গেলে সংরক্ষণজনিত অপচয় কমিয়ে কৃষকরা উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য পাওয়ার সুযোগ পাবেন। কৃষি কর্মকর্তা জানান, কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় কমানো, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো এবং নিরাপদ ও লাভজনক কৃষি উৎপাদনে উৎসাহিত করার উদ্দেশ্যেই কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় এসব সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ ও শাকসবজির আবাদ সম্প্রসারণের পাশাপাশি কৃষকদের কৃষিভিত্তিক আয় বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে। অনুষ্ঠানে সুবিধাভোগী কৃষক, উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং গণমাধ্যম কর্মী প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।
