অনেক ধরেই স্থানীয় ফুসফুসখ্যাত তেঁতুলতলা মাঠ রক্ষার দাবিতে আন্দোলন করে আসছিল রাজধানীর কলাবাগানবাসী। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৪ এপ্রিল মাঠটি রক্ষার দাবিতে আন্দোলনকারী সৈয়দা রত্না ও তার কিশোর ছেলেকে পুলিশ ধরে নিয়ে ১৩ ঘণ্টা কলাবাগান থানায় আটকে রাখে। পরে প্রতিবাদের মুখে মধ্যরাতে মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। এরপর মাঠ রক্ষায় আরও সোচ্চার হন আন্দোলনকারীরা। আন্দোলনের মুখে গত ২৮ এপ্রিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, তেঁতুলতলা মাঠে আর কোনো নির্মাণকাজ হবে না।মাঠটি ফিরে পাওয়ার জন্য স্থানীয় বাসিন্দারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। ঈদকে সামনে রেখে মাঠটি ফিরে দেওয়ার জন্য স্থানীয় বাসিন্দারা এটাকে প্রধানমন্ত্রীর ঈদের উপহার ও সালামি হিসেবে নিয়েছেন। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করেছেন।আন্দোলনকারীদের একজন স্থানীয় বাসিন্দা রেজিয়া খাতুন (৬৮)। রেজিয়া খাতুন বলেন, মাঠ ফিরে পেয়ে অনেক শান্তি লাগছে। জীবনের অনেক আশা ছিল মাঠটি ফিরে পাবো। আমাদের অনেক ভালো লাগছে। বঙ্গবন্ধুকন্যা আমাদের ঈদের উপহার দিয়েছে।’আরেক বাসিন্দা ডলি মোশারফ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে এটা পুরো কলাবাগানবাসীর ঈদ উপহার। এ জন্য প্রধানমন্ত্রীকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।বাসিন্দা মোশরফ হোসেন বলেন, আমার জন্ম এলাকায়। এখানেই বড় হয়েছে। দীর্ঘদিন আমরা মাঠ রক্ষায় আন্দোলন করেছিলাম। তবে বাংলার বাতিঘর প্রধানমন্ত্রীর কান পযর্ন্ত খবরটি পৌঁছাতে পারছিলাম না। এলাকার সকলে মিলে আন্দোলন করেছি আমাদের ফুসফুস, মাঠ রক্ষা করতে হবে। আমরা সফল হয়েছি। শেষপযর্ন্ত প্রধানমন্ত্রীর কানে পৌঁছাতে পেরেছি খবরটি। আমাদের বাচ্চারা যদি না খেলতে পারে তবে তারা খারাপ পথে চলে যেতে পারে। বাচ্চাদের কথা চিন্তা করেই মাঠ রক্ষায় মাঠে নেমেছি। কারণ আমি ছোটবেলা এ মাঠে খেলে করেছি। যাই হোক প্রধানমন্ত্রী আমাদের মাঠটি ফিরিয়ে দিয়েছে। এর থেকে বড় ঈদের উপহার আর কিছু হতে পারে না।করোনা সংকটের কারণে দুই বছর পর ঈদের জামাতের জন্য প্রস্তুতি শেষপর্যায়ে রাজধানীর কলাবাগানের তেঁতুলতলা মাঠ। মঙ্গলবার সকাল ৮টায় ওই মাঠে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হবে।দীর্ঘ দুই বছর পর ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে মাঠে। এলাকাবাসী শঙ্কায় ছিল মাঠে নামাজ পড়ার জন্য। মাঠটি রক্ষার জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানিয়েছে এলাকাবাসী।উত্তর ধানমন্ডি কলাবাগান জামে মসজিদের মুয়াজ্জিন হাফেজ হাবিবুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, ইনশাল্লাহ ঈদের জামাতের জন্য প্রস্তুতি শেষ। মসজিদ কমিটি ও এলাকাবাসী এটা আয়োজন করছেন। আমরা শঙ্কায় ছিলাম মনে হয় এখানে নামাজ পড়ানো যাবে না। তবে নামাজ পড়ার ব্যবস্থা করে দেওয়ার জন্য বিশেষ করে মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানায়। আমরা মনে করি, ঈদকে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী উপহার হিসেবে মাঠটি আমাদের ফিরিয়ে দিয়েছেন।
অনান্য খবর
উৎপাদনশীলতা বাড়াতে কাজ করছে সরকার
স্বল্প আয়তনের বৃহৎ জনগোষ্ঠীর বাংলাদেশের অমিত সম্ভাবনা রয়েছে জানিয়ে শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন বলেছেন, কৃষিসহ অর্থনীতির সব ক্ষেত্রে উৎপাদনশীলতা…
যে পথ ধরে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনে মাইলফলক
যে পথ ধরে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনে মাইলফলকবর্তমান বিশ্বে বিদ্যুৎ একটি অপরিহার্য বিষয়ের নাম। ভেবে দেখুন যদি এমন হয় যে আজকে…
রাষ্ট্রপতি পুত্র রনির পাবনা থেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণা
রাষ্ট্রপতি পুত্র রনির পাবনা থেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণা এম এ খালেক খান, পাবনা মহামান্য রাষ্ট্রপতির পুত্র ও কেন্দ্রীয়…
