জাতীয়তাবাদী পেশাজীবী দলের উপদেষ্টা অধ্যাপিকা ড. দিল রওশন জিন্নাত আরা’র সাথে পেশাজীবী দলের সভাপতি আরিফুল ইসলাম জিয়া’র সৌজন্য সাক্ষাৎ
এ কে খান :
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পেশাজীবী দলের উপদেষ্টা অধ্যাপিকা ড. দিল রওশন জিন্নাত আরা নাজনীনের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেছেন সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আরিফুল ইসলাম জিয়ার নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের একটি প্রতিনিধি দল। রাজধানীর মনিপুরী পাড়া উপদেষ্টার নিজ বাস ভবনে শুক্রবার ৯ অক্টোবর সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভায় দলের নতুন নেতৃবৃন্দের পরিচিতি, সাংগঠনিক কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা, ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন এবং সংগঠনকে আরও গতিশীল, বেগবান ও সুসংগঠিত করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। অধ্যাপিকা ড. দিল রওশন জিন্নাত আরা নাজনীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. এমাজউদ্দীন আহমদের কন্যা। তাঁর সঙ্গে এ সৌজন্য সাক্ষাৎকে কেন্দ্র করে পেশাজীবী দলের নেতৃবৃন্দের মধ্যে পারস্পরিক পরিচিতি, সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক জোরদার করণ ও সাংগঠনিক কার্যক্রমের সমন্বয় বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক উঠে আসে। সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পেশাজীবী দলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আরিফুল ইসলাম জিয়া সংগঠনের চলমান কার্যক্রম, সাংগঠনিক কর্মপরিকল্পনা প্রনয়ণ ও বাস্তবায়ন, দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করার উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা করেন।তিনি সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও সুসংগঠিত, বিস্তৃত, গতিশীল ও বেগবান করতে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সমন্বিত উদ্যোগ, দায়িত্বশীল নেতৃত্ব ও পারস্পরিক সহযোগিতার উপর গুরুত্বারোপ করেন।মতবিনিমে পেশাজীবীদের মেধা, অভিজ্ঞতা, দক্ষতা ও সৃজনশীলতাকে কাজে লাগিয়ে দেশ, জাতী ও সমাজের কল্যাণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার বিষয়টি আলোচনা করা হয়। একই সাথে সংগঠনের সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালী করা, দেশে-বিদেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিদের সাথে যোগাযোগ বৃদ্ধি, নতুন নেতৃত্বকে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত করা এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়ে আলোচনা হয়। এ সময় সংগঠনের নেতৃবৃন্দের আলোচনায়, একটি কার্যকর ও সুসংগঠিত পেশাজীবী সংগঠন গড়ে তুলতে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা, দায়িত্বশীল নেতৃত্ব এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অভিজ্ঞ ও নবীন নেতৃত্বের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডকে আরও গতিশীল করা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে উপদেষ্টাদের অভিজ্ঞতা, দিকনির্দেশনা ও নানাবিদ পরামর্শ সংগঠনের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন এবং বাস্তবায়নে সহায়ক হতে পারে। আলোচনায় নেতৃবৃন্দ মনে করেন, পেশাজীবীদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা বৃদ্ধি, সাংগঠনিক দায়িত্ব পালনে আন্তরিকতা এবং সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও সুসংহত করা সম্ভব। এ ধরনের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় নেতৃত্বের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক বৃদ্ধির পাশাপাশি সাংগঠনিক লক্ষ্য ও কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সমন্বিত ভূমিকা পালনের সুযোগ সৃষ্টি করে।সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পেশাজীবী দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে এগিয়ে নেওয়া, পেশাজীবীদের পারস্পরিক ঐক্য ও সহযোগিতা জোরদার করা এবং নতুন নেতৃত্বের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়। একই সঙ্গে সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সম্মিলিত প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়। এ সময় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পেশাজীবী দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহসভাপতি মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মনির, প্রফেসর ড. মিজানুর রহমান ও খোন্দকার সালাউদ্দীন রমি, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল কাদির রনি, ঢাকা মহানগর উত্তর কমিটির সহসভাপতি প্রফেসর মো. মেহেদী হাসান, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক প্রফেসর মো. আশ্রাফুল কবির সরকার, মো. ফখরুদ্দীন ও মো. আরিফ প্রমূখ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত নেতৃবৃন্দের প্রত্যাশা, পারস্পরিক যোগাযোগ, অভিজ্ঞতার বিনিময়, দায়িত্বশীল নেতৃত্ব ও সম্মিলিত উদ্যোগের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পেশাজীবী দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও সুসংগঠিত ও সম্প্রসারিত করা সম্ভব হবে।
