বগুড়ায় বিশ্বব্যাংক ও পিকেএসএফ প্রতিনিধি দলের গার্ক কার্যক্রম পরিদর্শন।
এ কে খান :
দেশের শীর্ষ স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ের বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা গ্রাম উন্নয়ন কর্ম (গাক) কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন টেকসই মাইক্রোএন্টারপ্রাইজ এন্ড রেজিলিয়েন্ট ট্রান্সফরমেশন স্মার্ট প্রকল্পের আওতায় পরিচালিত মেশিনারি ও ইকুইপমেন্ট খাতের কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন বিশ্বব্যাংক ও পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন’র উচ্চ পর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দল। বগুড়ার বনানীতে ৫ এপ্রিল রবিবার গাক টাওয়ারে সংস্থার প্রধান কার্যালয়ে এ পরিদর্শন ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। সংস্থার সিনিয়র পরিচালক ড. মো. মাহবুব আলম আগত অতিথিদের স্বাগত জানান। পরে তাঁর সভাপতিত্বে বোর্ড রুমে গাক’র উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অংশ গ্রহণে এক পযালোচনা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। উল্লেখ্য, বিশ্বব্যাংক ও পিকেএসএফ’র অর্থায়নে পরিচালিত স্মার্ট প্রকল্পের আওতায়“রিসোর্স এফিশিয়েন্ট এন্ড ক্লিনার প্রোডাকশন পদ্ধতির মাধ্যমে মেশিনারি ও যন্ত্রপাতি উপখাতে টেকসই প্রবৃদ্ধি উন্নয়ন” শীর্ষক উপ-প্রকল্পটি বগুড়া ও নওগাঁ জেলার ৯টি উপজেলায় লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতের এক হাজার উদ্যোক্তা ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করছে। মতবিনিময় সভায় বিশ্বব্যাংকের টাস্ক টিম লিডার কেইসুকে লিয়াডোমি, ফাইন্যান্সিয়াল সেক্টর স্পেশালিস্ট সোফি ডং,সামাজিক উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ সামিরা চৌধুরী ও পরিবেশ পরামর্শক শার্লিন হোসেন প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন। পিকেএসএফ’র পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন ম্যানেজার এএইচএম রাহাত হোসেন।এছাড়া গাক’র পরিচালক মুখলেসুর রহমানসহ সংস্থার অন্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভায় বক্তারা প্রকল্পের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে সন্তোষ প্রকাশ করেন। কেইসুকে লিয়াডোমি বলেন, রিসোর্স দক্ষ ও পরিবেশবান্ধব উৎপাদন পদ্ধতির মাধ্যমে স্থানীয় উদ্যোক্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধির উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তিনি গাক’র বাস্তবায়ন সক্ষমতা প্রত্যাশার চেয়েও বেশি বলে উল্লেখ করেন। পরিবেশ পরামর্শক শার্লিন হোসেন বলেন, কারখানাগুলোর পরিবেশ উন্নয়ন, বিদ্যুৎ সাশ্রয় এবং শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গৃহীত পদক্ষেপগুলো সকল শ্রমিকের জন্য অনুকরণীয়। এর মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব।
