ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি এবং তার সরকার ইসরায়েলের সমালোচনা করে বেশ কয়েকটি সাহসী ও স্পষ্টভাষী বিবৃতি দিয়েছেন।ইসরায়েলের কর্মকাণ্ডকে আন্তর্জাতিক মানবিক আইন লঙ্ঘন হিসেবে দেখছেন এবং গাজায় যুদ্ধবিরতি ও ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে সোচ্চার। সম্প্রতি ইতালি জাতিসংঘে ইসরায়েলের নিন্দা জানানো একটি যৌথ বিবৃতিতেও অংশ নিয়েছে। নিচে মূল ঘটনা গুলো তুলে ধরা হলো:
-
ইসরায়েলের সমালোচনায় ইতালি
-
প্রধানমন্ত্রী মেলোনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “ইসরায়েল গাজায় সীমা অতিক্রম করেছে” এবং সেখানে “অনেক বেশি নিরপরাধ মানুষ মারা গেছে”
-
ইতালি পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে সতর্ক করে যে, এই সহিংসতা অঞ্চলের স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি
-
ফরেন মিনিস্টার আন্তোনিও তায়ানি ইসরায়েলের প্রতি চরমপন্থি বসতি স্থাপনকারীদের আটকানোর আহ্বান জানান এবং পশ্চিম তীর দখলের যেকোনো পরিকল্পনার নিন্দা করেন ।
-
-
আন্তর্জাতিক মানবিক আইন লঙ্ঘন ও যুদ্ধবিরতির আহ্বান
-
প্রতিরক্ষামন্ত্রী গুইদো ক্রোজেত্তো ইসরায়েলের গাজা অভিযানকে “অগ্রহণযোগ্য” বলে অভিহিত করেন এবং একে বিশুদ্ধ মানবিক আইন লঙ্ঘন হিসেবে চিহ্নিত করেন। তিনি ইসরায়েলের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রস্তাব দেন -1।
-
ইতালির প্রধান বিরোধী দলও সরকারের প্রতি ইসরায়েলের অপরাধের তীব্র নিন্দা জানাতে এবং অস্ত্র সরবরাহ বন্ধের জন্য নিষেধাজ্ঞা আরোপের আহ্বান জানিয়েছে ।
-
-
জাতিসংঘে ইতালির অবস্থান
-
ইতালি সম্প্রতি জাতিসংঘে ফিলিস্তিনের পক্ষে একটি যৌথ বিবৃতিতে যোগ দেয়, যেখানে পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের “অবৈধ উপস্থিতি” এবং যেকোনো ধরনের দখলদারিত্বের নিন্দা জানানো হয়। এই বিবৃতিতে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের কথা উল্লেখ করা হয় ।
-
-
দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের প্রতি সমর্থন
-
প্রধানমন্ত্রী মেলোনি ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অধিকারকে সমর্থন জানিয়ে দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানকে “ঐতিহাসিক অবস্থান” হিসেবে বর্ণনা করেছেন ।
-
ইতালি গাজা শান্তি পরিষদে পর্যবেক্ষক হিসেবে যোগ দিতে সম্মত হয়েছে, যার লক্ষ্য যুদ্ধবিরতি ও দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের পথ তৈরি করা
-
