- শিক্ষাবিদদের সঙ্গে সংলাপ রবিবার
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ তৈরি করতে ব্যাপক কর্মপরিকল্পনা করছে নতুন নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ জন্য সর্বমহলের আস্থা অর্জনে করণীয় ঠিক করতে প্রথমেই দেশের বিশিষ্টজনদের সঙ্গে এবং পরে নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ করবে। এরই অংশ হিসেবে বিশিষ্টজনদের মধ্যে রবিবার শিক্ষাবিদদের সঙ্গে এবং পরে রাষ্ট্রবিজ্ঞানী, নির্বাচন বিশেষজ্ঞ ও সাংবাদিকদের সঙ্গে সংলাপ করবে ইসি। প্রধান লক্ষ্য- কিভাবে সবার অংশগ্রহণে সুষ্ঠু নির্বাচন করা যায় সে জন্য পরামর্শ গ্রহণ করা।
সূত্র জানায়, আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে ডেকে বিশিষ্টজনদের সঙ্গে কয়েক ধাপে সংলাপ করার পর সবশেষে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ করবে ইসি। এ সময় সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য যেসব পরামর্শ আসবে সেসব লিখে রাখা হবে। এ ছাড়া রাজনৈতিক দলগুলোও আগের মতো এবারও নির্বাচন কমিশনে লিখিত মতামত দেবে বলে নতুন ইসি আশা করছে। আর সবার মতামত পর্যালোচনা করে পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ অন্যান্য নির্বাচনের রোডম্যাপ তৈরি করবে নতুন নির্বাচন কমিশন।
দায়িত্ব গ্রহণের পর মাত্র ১০ দিন অতিবাহিত করেছে কাজী হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বাধীন নতুন নির্বাচন কমিশন। ইতোমধ্যেই এই কমিশন রাজনৈতিক দলসহ সবার আস্থা অর্জনে কিছু করণীয় ঠিক করে সেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। এর অংশ হিসেবে রবিবার থেকে দেশের বিশিষ্টজনদের সঙ্গে সংলাপ শুরু করা হচ্ছে। কয়েক ধাপে বিশিষ্টজনদের সঙ্গে এবং পরে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে মতবিনিময় করবে ইসি। তারপর কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনসহ যেসব নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে এসেছে এক এক করে তফসিল ঘোষণা করা হবে। সেই সঙ্গে পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপও ঠিক করা হবে।
এ বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নির্বাচন কমিশনার মোঃ আলমগীর জানান, পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে অংশীজনের সঙ্গে সংলাপে বসছে নির্বাচন কমিশন। রবিবার থেকে ধারাবাহিকভাবে অংশীজনদের সঙ্গে সংলাপ করা হবে। পর্যায়ক্রমে শিক্ষাবিদ, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী, নির্বাচন বিশ্লেষক, সাংবাদিক ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে সংলাপ হবে। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে রাজনৈতিক দলসহ সব মহলের সঙ্গে পরামর্শের অংশ হিসেবে সংলাপ শুরু হবে। জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করার ক্ষেত্রে যেসব সমস্যা তৈরি হয়, সেগুলো সংলাপের মাধ্যমে চিহ্নিত করে করণীয় নির্ধারণ করা হবে। ধারাবাহিক সংলাপে সবার শেষে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে মতবিনিময় করা হবে। সকলের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন কর্মকৌশল ঠিক করবে। শুধু তাই আলোচনা নয়, নির্বাচনের বিভিন্ন কৌশল সম্পর্কেও কমিশন বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মতামত নেবে। সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে স্বচ্ছতা নিয়েই নির্বাচন কমিশন কাজ করতে চায়। এর জন্য যা যা প্রয়োজন তা করার চেষ্টা হবে। সংলাপের মাধ্যমে সুষ্ঠু নির্বাচনের পথে সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে করণীয় ঠিক করা হবে।
