৯ দফা দাবিতে জাবির দৈনিক মজুরিভিত্তিক কর্মচারীদের স্মারকলিপি পেশ

জাবিতে ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে নারী সহকারী প্রক্টরের পোশাক নিয়ে কটূক্তির অভিযোগ
শেয়ার করুন:

জাবি প্রতিনিধি 
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) কর্মরত দৈনিক মজুরিভিত্তিক কর্মচারীরা তাদের ৯ দফা দাবির ভিত্তিতে উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন। গতকাল (১৭ ডিসেম্বর) মঙ্গলবার এ স্মারকলিপি পেশ করা হয়।
স্মারকলিপিতে কর্মচারীরা উল্লেখ করেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল, বিভাগ ও অফিসের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পর্যায়ক্রমে দৈনিক মজুরিভিত্তিতে নিয়োগপ্রাপ্ত বেশিরভাগ কর্মচারী ১০ থেকে ১২ বছর ধরে কাজ করছেন। কিন্তু এখনও তাদের চাকরি স্থায়ী হয়নি। ফলে দীর্ঘদিন ধরে অনিশ্চিত চাকরির পরিস্থিতিতে তারা হতাশায় ভুগছেন। পাশাপাশি চাকরির আর্থিক সুবিধা সীমিত হওয়ায় তাদের সংসার চালানো অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে। অন্যদিকে, তাদের অভিজ্ঞতা ও যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও একই সময়ে নিয়োগ পাওয়া অনেক কর্মচারী স্থায়ী হওয়ার মাধ্যমে বেতন, বোনাস ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন। তাই মানবিক দিক বিবেচনা করে তাদের স্ব স্ব পদে স্থায়ী করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হচ্ছে।”
স্মারকলিপিতে দৈনিক মজুরিভিত্তিক কর্মচারীদের ৯টি দাবি তুলে ধরা হয়। সেগুলো হলো:১. দ্রুত সময়ের মধ্যে দৈনিক মজুরিভিত্তিক কর্মচারীদের স্থায়ীকরণ।২. মানবিক বিবেচনায় ৪র্থ শ্রেণির শূন্য পদে অবিলম্বে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ।৩. চলমান নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির পরীক্ষা দ্রুত সম্পন্ন করে সংশ্লিষ্ট পদগুলোতে দৈনিক মজুরিভিত্তিক কর্মচারীদের নিয়োগ।৪. চাকরি স্থায়ীকরণের আগ পর্যন্ত বাইরের কোনো ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগ না দেওয়া।৫. ভবিষ্যতে কোনো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে দৈনিক মজুরিভিত্তিক কর্মচারীদের শতভাগ অগ্রাধিকার দেওয়া।৬. চাকরি স্থায়ীকরণের আগ পর্যন্ত দৈনিক হাজিরা ৭৫০ টাকা করা।৭. স্থায়ী না হওয়া পর্যন্ত উৎসব ভাতা ১২,০০০ টাকা এবং বৈশাখী ভাতা ৩,০০০ টাকা প্রদান।৮. সরকারি সব ধরনের ছুটি স্থায়ী কর্মচারীদের মতো সমন্বয় করা।৯. মাসিক বেতন প্রতি মাসের ১-৫ তারিখের মধ্যে পরিশোধ নিশ্চিত করা।
এই দাবিগুলো বাস্তবায়নের মাধ্যমে কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তা ও আর্থিক সংকট দূর করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

শেয়ার করুন: