স্টারমার ও ইউনূসের সাক্ষাতের কোনো পরিকল্পনা নেইঃ ব্রিটিশ কর্মকর্তা

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস
শেয়ার করুন:

যুক্তরাজ্যে অন্তর্বর্তীকালীন বাংলাদেশি স্টারমার ও ইউনূসের সাক্ষাৎ প্রত্যাখ্যান করলেন স্যার কিয়ার স্টারমার

মূল বিষয়সমূহ:

  1. সাক্ষাৎ প্রত্যাখ্যান
    যুক্তরাজ্যের লেবার পার্টির নেতা স্যার কিয়ার স্টারমার বাংলাদেশি অন্তর্বর্তীকালীন নেতা ও নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। ইউনূস বর্তমানে লন্ডনে সফররত।

  2. ইউনূসের দাবি ও মিশন
    মুহাম্মদ ইউনূস অভিযোগ করছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ১৬ বছরের শাসনামলে বাংলাদেশ থেকে আনুমানিক ২৩৪ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে, যার একটি বড় অংশ যুক্তরাজ্যে লুকানো রয়েছে। তিনি এসব অর্থ ফেরত আনতে যুক্তরাজ্যের সহায়তা কামনা করছেন।

  3. যুক্তরাজ্যের অবস্থান
    ব্রিটিশ কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন যে, স্টারমার ও ইউনূসের সাক্ষাতের কোনো পরিকল্পনা নেই। তবে তারা জানান, যুক্তরাজ্য ইতিমধ্যেই এই দুর্নীতির তদন্তে সহায়তা করছে।

  4. নৈতিক ও আইনি দায়বদ্ধতা
    ইউনূস বলেছেন, যুক্তরাজ্যের এই অর্থ ফেরতের ব্যাপারে নৈতিক ও আইনি দায়িত্ব রয়েছে। তিনি বিষয়টিকে “ব্যক্তিগত নয়, সম্পূর্ণ আইনি” বলে মন্তব্য করেছেন।

  5. বাংলাদেশি রাজনীতির প্রভাব যুক্তরাজ্যে
    এই দুর্নীতির অভিযোগের সাথে যুক্তরাজ্যের রাজনীতির একটি সংযোগ রয়েছে:

    • টিউলিপ সিদ্দিক, স্যার স্টারমারের ঘনিষ্ঠ এবং শেখ হাসিনার ভাতিজি, জানুয়ারিতে দুর্নীতিবিরোধী মন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগ করেন দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর।

    • সিদ্দিক এখনো এমপি হিসেবে রয়েছেন এবং ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাত চেয়েছেন। ইউনূস সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন।

  6. বিস্তৃত দুর্নীতির অভিযোগ
    বাংলাদেশের নতুন সরকার শেখ হাসিনার শাসনামলকে “বৃহৎ লুটপাটের প্রক্রিয়া” বলে উল্লেখ করেছে। তারা বিশাল অর্থ আত্মসাৎ এবং আত্মীয়কেন্দ্রিক রাজনীতির অভিযোগ এনেছে।


শেয়ার করুন: