সুজানগর উপজেলার কৃতি সন্তান আলহাজ্ব খন্দকার জাহাঙ্গীর কবির রানা না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক জি এস ও রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের সাবেক পরিচালক সুজানগর উপজেলার কৃতি সন্তান আলহাজ্ব খন্দকার জাহাঙ্গীর কবির রানা।
শেয়ার করুন:
না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক জি এস ও রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের সাবেক পরিচালক সুজানগর উপজেলার কৃতি সন্তান আলহাজ্ব খন্দকার জাহাঙ্গীর কবির রানা।
শনিবার রাত দশটার দিকে ঢাকার একটি হাসপাতালে অসুস্থতা জনিত কারণে তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন )। জাহাঙ্গীর কবির রানা সুজানগর উপজেলার মানিকহাট ইউনিয়নের গাবগাছি গ্রামের যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রয়াত আওয়াল কবীরের আপন ছোট ভাই। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭২ বছর।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে সহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন রেখে গেছেন। তার ছেলে খন্দকার শাহরিয়ার বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় বুয়েটের শিক্ষক ও বর্তমানে তিনি স্কলারশিপ নিয়ে আমেরিকার হাওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি তে গবেষণা করছেন এবং মেয়ে খন্দকার চকরি আক্তার ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় পড়াশোনা শেষ করে একটি ব্যাংকের অফিসার হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।
খন্দকার জাহাঙ্গীর কবির রানার শেষ ইচ্ছে অনুযায়ী তার মরদেহ নিজ গ্রামের বাড়ি উপজেলার মানিকহাট ইউনিয়নের গাবগাছি গ্রামে মঙ্গলবার (১২আগস্ট) আনা হবে এবং এখানেই জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে সমাহিত করা হবে বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে। এদিকে খন্দকার জাহাঙ্গীর কবির রানার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয় এলাকাবাসী জানিয়েছেন বিভিন্ন সময় গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করলেও খন্দকার জাহাঙ্গীর কবির রানা সবসময় সাদামাটা জীবন যাপন করতেন এবং নিজ গ্রামের মানুষকে তিনি কখনোই ভুলে যাননি। ঢাকায় বসবাস করলেও মাঝেমধ্যেই শিকড়ের টানে ছুটে আসতেন নিজ গ্রামের বাড়ি সুজানগরে এবং খোঁজখবর নিতেন সবার। তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশসহ শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। মহান আল্লাহ পাক তার জীবনের সকল গুনাহ মাফ করে বেহেস্ত নসিব করুন। আমিন

শেয়ার করুন: