শেরপুরে বিএনপি নেতা বাদল হত্যায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও বিচার দাবিতে মানববন্ধন

শেরপুরে বিএনপি নেতা বাদল হত্যায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও বিচার দাবিতে মানববন্ধন
শেয়ার করুন:


শেরপুর জেলা প্রতিনিধি :শেরপুর সদর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম জাকারিয়া বাদল হত্যার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছে এলাকারবাসী। মানববন্ধন শেষে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। ৭ এপ্রিল সোমবার দুপুরে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।মানববন্ধনে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সাবেক পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক হাসানুর রেজা জিয়া, জেলা তাঁতীদলের আহ্বায়ক লালন মোল্লা, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ শওকত হোসেন, সদর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ছানুয়ার হোসেন ছানু, শেরপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক মাসুদ হাসান বাদল, নিহত বিএনপি নেতা বাদলের স্ত্রী পপি বেগম, ছেলে তানভীর ও তাবিবসহ অনেকেই।ওইসময় বক্তারা বলেন, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি পরিকল্পিতভাবে বিএনপি নেতা গোলাম জাকারিয়া বাদলকে পথরোধ করে প্রকাশ্যে কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। ওই ঘটনায় সদর থানায় মামলা দায়ের হলেও এখন পর্যন্ত সকল আসামি গ্রেপ্তার হয়নি। আসামিদের অনেকেই এলাকায় এসে বাদলের পরিবারকে হুমকি দিচ্ছেন। এতে তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এসময় বক্তারা কামারিয়া ইউনিয়নের যে সকল আওয়ামী সন্ত্রাসীসহ যাদের যোগসাজসে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।মানববন্ধনে ভীমগঞ্জ এলাকার স্থানীয় জনসাধারণসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের হাজারো নেতাকর্মী অংশ নেন। মানববন্ধন শেষে নিহত বাদলের পরিবার জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন।উল্লেখ্য, স্থানীয়ভাবে আধিপত্য বিস্তার ও দলীয় দ্বন্দ্বের জের ধরে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত হন সদর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম জাকারিয়া বাদল। তিনি সদর উপজেলার কামারিয়া ইউনিয়নের ভীমগঞ্জ গ্রামের মৃত আবদুল আজিজের ছেলে ও শেরপুর সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক এজিএস ছিলেন। এ ঘটনায় নিহত বাদলের স্ত্রী পপি বেগম বাদী হয়ে সদর থানায় কৃষক লীগ নেতা ও কামারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান কারাবন্দী নূরে আলম সিদ্দিকীকে ১ নম্বর আসামি এবং কামারিয়া ইউনিয়ন বিএনপির বহিস্কৃত আহ্বায়ক মো. লুৎফর রহমানকে ২ নম্বর আসামিসহ ২৩ জনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় আরও ১০ থেকে ১৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ওই মামলায় একনম্বর আসামি নূরে আলমসহ পাচঁজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 

শেয়ার করুন: