শেরপুরে বাস চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত, ঘাতক বাসে আগুন দিলো জনতা

শেয়ার করুন:

অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য মজনু মিয়া ঘটনাস্থলেই নিহত, ক্ষুব্ধ জনতার আগুনে পুড়লো ঘাতক বাস

📍 নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর
শেরপুর সদরে শাম্মী ডিলাক্স নামে একটি বাসের চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য মজনু মিয়া (৫০) নিহত হয়েছেন। বিক্ষুব্ধ জনতা ঘাতক বাসে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়।
ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার (১৫ জুন) দুপুরে, শেরপুর-ঢাকা মহাসড়কের বাঁশতলা এলাকায়।


🪖 নিহত ব্যক্তির পরিচয়
নিহত মজনু মিয়া শেরপুর সদরের ভাতশালা ইউনিয়নের ছফর উদ্দিনের ছেলে। তিনি সম্প্রতি সেনাবাহিনী থেকে অবসর গ্রহণ করেছিলেন।


📸 ঘটনার বিবরণ
ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মজনু মিয়া মোটরসাইকেলযোগে শেরপুর শহর থেকে নিজ বাড়ি ভাতশালার দিকে যাচ্ছিলেন। বাঁশতলা এলাকায় পৌঁছালে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা শাম্মী ডিলাক্স বাসটি তাকে চাপা দেয়।
দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। মোটরসাইকেলটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।

দুর্ঘটনার পরপরই উত্তেজিত জনতা ঘাতক বাসটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে মহাসড়কে যান চলাচল কিছু সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে পড়ে।


🔥 ফায়ার সার্ভিসের বাধা
জেলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সাব-অফিসার মোঃ আব্দুল কাদের বলেন,

“খবর পেয়ে আমরা আগুন নেভাতে ঘটনাস্থলে যাই। কিন্তু স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা বাধা দেওয়ায় আগুন নিয়ন্ত্রণে কিছুটা সময় লেগে যায়।”


👮 পুলিশের অবস্থান
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুবায়দুল আলম বলেন,

“ঘটনাস্থলে এখনো পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক, যান চলাচলে কোনো সমস্যা নেই। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।”


💬 পরিবারের ক্ষোভ
নিহতের ভাতিজা শহিদুল ইসলাম বলেন,

“আমার চাচা কিছুদিন আগেই সেনাবাহিনী থেকে অবসর নিয়েছেন। তার দুই মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। এই সংসার এখন কীভাবে চলবে? আমি এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার চাই।”

শেয়ার করুন: