মাদুরো-খামেনির পর ট্রাম্পের টার্গেট কি কিম?
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট মাদুরো-কে আটক করা এবং ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনি নিহত হওয়ার পর আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন প্রশ্ন উঠেছে—যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump কি এবার উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন-কে লক্ষ্যবস্তু বানাতে পারেন?
বিশ্লেষকরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্য ও লাতিন আমেরিকার সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো বিশ্ব রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। ২০২৬ সালের শুরুতে মার্কিন সামরিক অভিযানে ভেনেজুয়েলায় অভিযান চালিয়ে মাদুরোকে আটক করা হয়।
অন্যদিকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে তেহরানে এক বিমান হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনি নিহত হন, যা যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যৌথ অভিযানের অংশ বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
কিমকে ঘিরে নতুন জল্পনা
এই দুই ঘটনার পর অনেক বিশ্লেষক মনে করছেন, উত্তর কোরিয়া পরিস্থিতি আরও সতর্কভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। কারণ পারমাণবিক অস্ত্রবিহীন দেশগুলোর নেতাদের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার পর পিয়ংইয়ং তার নিরাপত্তা কৌশল নতুন করে ভাবতে পারে।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এখনো সরাসরি কিম জং উনের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের কোনো ঘোষণা নেই। বরং হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ওয়াশিংটন উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে কোনো পূর্বশর্ত ছাড়াই আলোচনায় বসতে প্রস্তুত।
উত্তেজনা থাকলেও যুদ্ধের ইঙ্গিত নেই
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়া যৌথ সামরিক মহড়া চালাচ্ছে, যার জবাবে কিম জং উন ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা ও সামরিক শক্তি বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, উত্তর কোরিয়ার হাতে উল্লেখযোগ্য পারমাণবিক অস্ত্র থাকায় দেশটির বিরুদ্ধে সরাসরি সামরিক হামলা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হবে। ফলে ওয়াশিংটন ও পিয়ংইয়ংয়ের সম্পর্ক এখন সংঘাত ও কূটনীতির মিশ্র অবস্থায় রয়েছে।
উপসংহার
বর্তমান পরিস্থিতিতে মাদুরো বা খামেনির মতোভাবে কিম জং উনকে লক্ষ্যবস্তু বানানোর স্পষ্ট কোনো প্রমাণ নেই। তবে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, সামরিক মহড়া এবং পারমাণবিক কৌশল—সব মিলিয়ে উত্তর কোরিয়া ইস্যু বিশ্ব রাজনীতিতে আবারও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।
