
পশ্চিম মেদিনীপুর ঘাটাল মহকুমা জুড়ে চলছে পোস্ত চাষ। ঘটনায় উদ্বিগ্ন আবগারি দফতরও। দফতরের জেলা আধিকারিক অশোক দে বলেন, “খবর পেলেই অভিযান চালিয়ে পোস্ত গাছ নষ্ট করে দিচ্ছি।” ঘাটালের মহকুমাশাসক পিনাকীরঞ্জন প্রধান বলেন, “পোস্ত চাষের কড়া আইন সমন্ধে ধারণা দিতে শিবির করা হবে।’’
দীর্ঘদিন ধরে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার বিভিন্ন ব্লকে প্রকাশ্যে পোস্ত-গাঁজা চাষ হচ্ছে। মাঝে মধ্যে আবগারি দফতর খবর পেয়ে অভিযানে নামে। কিন্তু তার পরেও পরিস্থিতির কোনও বদল হয় না। গত কয়েক দিনে ঘাটালের চন্দ্রকোনা-২ ব্লকের বান্দিপুর পঞ্চায়েত এলাকায় অভিযান চালিয়ে কয়েক বিঘা জমির পোস্ত চাষ নষ্ট করা হয়েছে। বিডিও শ্বাশ্বতপ্রকাশ লাহিড়ী আবগারি দফতর, পুলিশ ও কৃষি দফতরকে সঙ্গে নিয়ে স্থানীয় বান্দিপুর, চাদা, মেঠানি, জামবেড়, রামগড়-সহ বিভিন্ন গ্রামে অভিযানও চালান।
পোস্ত চাষ বন্ধ করতে গত বছর থেকেই বিশেষ উদ্যোগী হয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা প্রশাসন। পঞ্চায়েত অফিস থেকে ব্লক, মহকুমা শাসকের কাযার্লয়, থানা-সহ বিভিন্ন সরকারি দফতরে টাঙানো হয়েছে ফেস্টুনও।
পোস্ত গাছের ফল চিরে তার রস সংগ্রহ করে নানা ধরনের মাদক তৈরি হয়।চড়া দামেও বিক্রি হয়। জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেই ফেললেন, “মাদক কারবারিরাই চাষিদের এই চাষে সাহায্য করেন। চাষের সমস্ত উপকরণ-সহ পদ্ধতি সবই ওই চক্রের সদস্যরাই সরবরাহ করে। চাষিরা জমি দিলেই হাতে নগদ মোটা টাকা পেয়ে যান। প্রশাসনের একাংশও জড়িত।” আবার, কড়া আইন থাকলেও মামলা করার আগে রয়েছে বিস্তর জটিলতাও। আইন এমনই যে অভিযানে গিয়ে জমির মালিককে গ্রেফতার করা খুব কঠিন। আনন্দবাজার পত্রিকা
