
নেপালের কাঠমান্ডুতে ইউএস-বাংলার বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে ৫০ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ১৭ জন। সোমবার (১২ মার্চ) দুপুর ২টার ২০ মিনিটে কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের (টিআইএ) ফুটবল মাঠে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়।
বিধ্বস্ত এই বিমানে দুইজন পাবনাবাসী ছিলেন। তাদের আহত অবস্থায় কাঠমান্ডুর স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে সূত্র জানিয়েছে। তারা হলেন- সোনা মোনি ও তার স্বামী মেহেদী হাসান অমি। সোনা মনি সাভার গণস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী। তবে তাদের বিস্তারিত পরিচয় পাওয়া যায়নি।
নেপালের কাঠমান্ডুতে বিধ্বস্ত ইউএস-বাংলার বিমানের ৪ জন ক্রুসহ ৭১ জন আরোহীর মধ্যে ৩২ জন বাংলাদেশের, ৩৩ জন নেপালের, একজন মালদ্বীপের এবং একজন চীনের নাগরিক। এদের মধ্যে ৩৭ জন পুরুষ, ২৮ নারী, দুইজন শিশু ও ৪ জন ক্রু।
এখন পর্যন্ত ৫০ জনের নিহতের খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স, বিবিসিসহ আন্তর্জাতিক কয়েকটি গণমাধ্যম। বিধ্বস্ত বিমানটি থেকে ১৭ জনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।
নেপালের হিমালয়ান টাইমস ও কাঠমান্ডু পোস্টসহ আন্তর্জাতিক কয়েকটি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, বিমানটি ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। সেখানে ল্যান্ড করার পূর্বেই বিমানটিতে আগুন ধরে যায়।
টিআইএ’র মুখপাত্র প্রেম নাথ ঠাকুরের বরাত দিয়ে কাঠমান্ডু পোস্ট জানিয়েছে, টিআইএ’র ও নেপালে সেনাবাহিনীর উদ্ধারকারী দল উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করছে।
