টানা বৃষ্টিপাতের কারণে গত কয়েকদিন কিছুটা শীত শীত অনুভূত হলেও, এখনই শীত পড়ার কোন সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।
মন গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি হওয়ায় কারণ হিসেবে পূবালী ও পশ্চিমা বায়ু অর্থাৎ পূর্ব দিক থেকে আসা শুষ্ক বায়ু এবং পশ্চিম দিক থেকে বয়ে আসা আর্দ্র বায়ুর সংযোগের কারণেই এমন টানা বৃষ্টিপাত হচ্ছে। যা সোমবার পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।
রোববার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেয়া ২৪ ঘণ্টার বুলেটিন অনুযায়ী, বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে খুলনার চুয়াডাঙ্গায় প্রায় ২৬ মিলিমিটারের মতো।
এছাড়া ঢাকায় ১১ মি.মি এবং ঈশ্বরদীতে ১৩ মি.মি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
বাংলা পঞ্জিকা অনুযায়ী বাংলাদেশে কার্তিক মাস শেষ হয়ে আসছে। এখনও শীত পুরোপুরি জেঁকে না বসলেও হালকা বৃষ্টিতে শীত শীত অনুভূত হচ্ছে।
অনেকে এই বৃষ্টিপাতকে শীতের আগমনী বার্তা হিসেবে দেখলেও এর সাথে শীতের কোন সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছে ঢাকা আবহাওয়া অফিস।
আবহাওয়া পূর্বাভাস দিয়েছেন, নভেম্বর মাসের শেষের দিকে দেশের উত্তরাঞ্চলে এবং ডিসেম্বর মাসের প্রথমদিকে ঢাকাসহ সারাদেশে শীতের তীব্রতা বাড়তে পারে।
এখনও দেশটির সর্বোচ্চ তাপমাত্রা শীতের মৌসুমের চাইতে কয়েক ডিগ্রি বেশি থাকায় আপাতত শীত জেঁকে বসার কোনও সম্ভাবনা নেই।
এ ব্যাপারে আবহাওয়া অফিস জানায়, দিনের বেলা আকাশে মেঘ থাকায় সূর্যের তাপ সেভাবে পড়েনি। তাই তাপমাত্রা কিছুটা কমে গিয়েছে। কিন্তু দিনের তাপমাত্রা এখনও বেশি আছে।
তাপমাত্রা মূলত নেমে যাচ্ছে রাতের বেলায়। এ কারণে মনে হতে পারে যে শীত পড়ছে। বিশেষ করে রংপুর, সিলেট অঞ্চলে রাতের তাপমাত্রা অনেকটাই কমে যাচ্ছে।
