ঈশ্বরদী – ঢালারচর রেল লাইনের মাটির ট্রাকের বালি উড়ে যানবাহন ও মানুষের চলাচল অসুবিধা

শেয়ার করুন:

DSC05621

বর্তমান সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ডের মধ্যে উল্লেখ যোগ্য রাস্তা-ঘাটের উন্নয়ন। তারই ধারাবাহিকতায় ঈশ্বরদী – ঢালারচর রেল লাইনটি বর্তমান সরকারের সময়ে একটি যুগান্তকারী পদপে। দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে এই রেল লাইন নির্মাণের কাজ। কর্তৃপরে ল্য অনুযায়ী ২০১৯ সালেই এই লাইনে ট্রেন চলাচল করবে। রেল লাইনের মাটির কাজটি পেয়েছে দেশের সুনাম ধন্য ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মীর আক্তার গ্রুপ। তাদের দক্ষ কর্মী অকান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে লাইনের মাটি ফেলার কাজটি করে যাচ্ছে।
পাবনা জেলার আমিনপুর থানার তিনটি বড় রাস্তা (১)কাশিনাথপুর – নাটিয়াবাড়ি, (২) কাশিনাথপুর – বাঁধেরহাট, (৩) বাঁধেরহাট – কাজীপাড়া (মজিববাঁধ ) অতিক্রম করেছে এই রেল লাইনটি। রাস্তার মাটি ফেলা হচ্ছে পদ্মা-যুমনার চর থেকে বালি উত্তোলন ও ট্রাকে বালি আনয়নের মাধ্যমে । কিন্তু দুঃখের বিষয় ট্রাকে করে বালি আনার সময় ট্রাক ঢাঁকার জন্য কোন পলিথিন বা ত্রিপল ব্যবহার করা হচ্ছে না।

 

DSC05630

DSC05618

 

 

 

রাস্তায় যখন বালি ভর্তি ট্রাক নিয়ে যাওয়া হয় তখন রাস্তায় যানবাহন ও সাধারন মানুষের চলাচল অসম্ভব হয়ে পরে। ট্রাকের বালি উড়ে অন্য গাড়ির চালক ও সাধারন মানুষের চোখে মুখে ঢুকে দুর্ঘটনার কারণ হয় দাঁড়ায়। এছাড়াও যে সব পয়েন্টে রেল লাইল পাকা রাস্তা অতিক্রম করেছে। রাস্তায় মাটি ফেলে ফিরে আসার সময় ট্রাকের চাকার মাটি পাকা রাস্তায় উঠে আসছে। ফলে রাস্তায় প্রায় পুরো অংশ, কোথাও ৭৫% পর্যন্ত জায়গা মাটিতে ঢেকে যাচ্ছে। সকালে কোয়াশায় ভেজা মাটিতে ছোট যানবাহনের ( মোটর সাইকেল ) চাকা স্লিপ করে দুর্ঘনা ঘটছে । আবার দিনের বেলায় রাস্তায় ধুলা উড়ে রাস্তা দিয়ে চলাচলের অনুপোযোগী হয়ে যায়। রেল লাইনের কাজের প্রয়োজনে পাথরের টুকরা এলোমেলে করে পাঁকা রাস্তায় উপর রাখা হয়। ফলে যে কোন সময় বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটতে পারে ।

 

 

 

 

 

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *