আহমেদাবাদ বিমান বিধ্বস্ত আকিল নানাবাওয়া, হান্না ভোরাজি এবং তাঁদের কন্যা সারা নিহত
আহমেদাবাদ থেকে উড্ডয়নের পর আহমেদাবাদ বিমান বিধ্বস্ত: ২৪২ জনের মধ্যে একজন মাত্র বেঁচে
ডেস্ক রিপোর্ট, ২৫ জুন,২০২৫ – পশ্চিম ভারতের আহমেদাবাদ থেকে লন্ডনের গ্যাটউইক বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করা এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইট AI171 উড্ডয়নের পরপরই বিধ্বস্ত হয়েছে। বিমানে থাকা ২৪২ জন যাত্রী ও ক্রুর মধ্যে একজন ছাড়া বাকিদের সবাই প্রাণ হারিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ফ্লাইটে ছিলেন ১৬৯ জন ভারতীয়, ৫৩ জন ব্রিটিশ, সাতজন পর্তুগিজ ও একজন কানাডিয়ান নাগরিক।
বেঁচে যাওয়া একমাত্র যাত্রী হলেন ব্রিটিশ নাগরিক বিশ্বকুমার রমেশ। তিনি গুরুতর আহত হলেও বেঁচে যান এবং বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
নিহতদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য:
-
আকিল নানাবাওয়া, হান্না ভোরাজি এবং তাঁদের কন্যা সারা
গ্লুসেস্টার মুসলিম সম্প্রদায় নিশ্চিত করেছে যে এই তিনজনও বিমানে ছিলেন এবং প্রাণ হারিয়েছেন। আকিল নানাবাওয়া একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী ছিলেন, যিনি ‘Rec2go লিমিটেড’ প্রতিষ্ঠার পর ‘আইসবার্গ রিক্রুটমেন্ট সার্ভিসেস’ চালু করেন। তাঁর কোম্পানির প্রধান কার্যালয় গ্লুসেস্টারে এবং একটি সক্রিয় শাখা আহমেদাবাদে অবস্থিত।কোম্পানির ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, তিনি ছিলেন ক্লায়েন্টদের আস্থাভাজন ও সম্মানিত একজন পেশাদার। অবসরে খেলাধুলা ও প্রিয়জনদের সঙ্গে সময় কাটাতে ভালোবাসতেন।
দুর্ঘটনার কারণ সম্পর্কে তদন্ত চলছে এবং ভারত ও যুক্তরাজ্যের বিমান নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ একযোগে কাজ করছে।
আহমেদাবাদের একজন ঊর্ধ্বতন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বিবিসিকে জানান, নিহতদের মধ্যে রয়েছেন চারজন মেডিকেল ছাত্র, যারা বিমান বিধ্বস্ত হওয়া এলাকার কাছাকাছি একটি ভবনে বসবাস করতেন। বাকী চারজন ছিলেন ছাত্রাবাসে থাকা অন্য শিক্ষার্থীদের আত্মীয়।
এই নতুন তথ্য পূর্বের হতাহতের পরিসংখ্যানে গুরুত্বপূর্ণ সংশোধন আনছে। আগে ধারণা করা হচ্ছিল, বিমানে থাকা ২৪২ জনের মধ্যে কেবল একজনই বেঁচে গেছেন। তবে এখন স্পষ্ট হচ্ছে, বিমানের বাইরে থাকা কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দাও দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন।
প্রাথমিক তদন্ত চলছে এবং দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে বিমান চলাচল ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলো যৌথভাবে কাজ করছে।
দুর্ঘটনার কারণে এলাকায় জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এবং উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
