আমিনপুরের নাটিয়াবাড়িতে পরিত্যক্ত ককটেল বিস্ফোরণে স্কুল শিক্ষার্থী ভাই বোন আহত

শেয়ার করুন:

স্টাফ রিপাের্টার : পাবনার বেড়া উপজেলার আমিনপুর থানাধীন নাটিয়াবাড়িতে পরিত্যক্ত ককটেল বিস্ফোরণে দুই স্কুল শিক্ষার্থী ভাইবোন আহত হয়েছে। সোমবার (০৭ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে নাটিয়াবাড়ির রাজনারায়নপুর গ্রামে পাবনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য খন্দকার আজিজুল হক আরজুর বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে।
আহত দুই শিশু উপজেলার জাতসাকিনী ইউনিয়নের চরকান্দি গ্রামের দিলীপ সূত্রধরের ছেলে অভিজিৎ (১২) ও মেয়ে মন্দিরা (১০)। তারা নাটিয়াবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নাটিয়াবাড়ি এলাকার সাবেক সংসদ সদস্য খন্দকার আজিজুল হক আরজুর বাড়ির সামনে প্রাচীরের দেওয়াল ঘেঁষে কে বা কারা একটি ককটেল ফেলে রেখেছিল। দুপুর ১২টায় স্কুলের প্রভাতি শাখা ছুটির পর বাড়ি ফেরার পথে টেনিস বল মনে করে অভি পরিত্যক্ত ককটেলটিতে লাথি মারে। এ সময় ককটেলটি বাড়ির প্রাচীরের দেওয়ালে লেগে বিস্ফোরিত হয়। এতে দুই ভাইবোন গুরুতর আহত হয়। পরে স্থানীয় লোকজন দুই শিশুকে উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। খবর পেয়ে বেড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও আমিনপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

https://www.youtube.com/watch?v=1WU_8VrCEXY

আমিনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রওশন আলম বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। বিস্ফোরিত ককটেলের আলামত উদ্ধার করা হয়েছে। কারা, কী উদ্দেশ্যে সাবেক সাংসদের বাড়ির প্রাচীরের দেওয়াল ঘেষে ককটেল রেখেছিল সেটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে ওসি জানান।
নাটিয়াবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সালমা আক্তার বলেন, স্কুলের প্রধান ফটকের বাইরেই ঘটনাটি ঘটেছে। ককটেল ফাটার বিকট শব্দে ও দুই শিক্ষার্থীরা আহতের ঘটনায় শিশুশিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম আতংক বিরাজ করছে।
সাবেক সংসদ সদস্য খন্দকার আজিজুল হক আরজুর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জেরে আমার বাড়ির পাশে ককটেল রাখা হয়েছিল। আমি অবিলম্বে এই ককটেল হামলাকারীদের খুঁজে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

ঘটনাস্থলে দেখা যাচ্ছে বেড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে

বেড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহা. সবুর আলী বলেন, আমরা শিশু দুটির খোঁজখবর রাখছি। ওদের চিকিৎসার যাতে কোন প্রকার ত্রুটি না হয়, প্রশাসন সেদিকে সবসময় নজরদারী করছে। ইতোমধ্যে আমি জেলা প্রশাসক মহোদয় ও পাবনা জেলা সিভিল সার্জনকে বিষয়টি অবগত করেছি।

শেয়ার করুন: