এবিসি বার্তা

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp
Share on email

কৃষি ও খাদ্য সুরক্ষা চর্চায় বিশ্বের সঙ্গে ভাগ করে নিতে প্রস্তুত

বাংলাদেশ কৃষি ও খাদ্য সুরক্ষার উত্তম চর্চা বিশ্বের অন্যান্য দেশের সাথে ভাগ করে নিতে প্রস্তুত। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১৯ মে ২০২২) জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ আয়োজিত ‘সংঘাত ও খাদ্য নিরাপত্তা’ শীর্ষক এক উন্মুক্ত বিতর্কে এ কথা বলেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। তিনি কৃষি খাতে রূপান্তর এবং খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে বাংলাদেশের অর্জনগুলো তুলে ধরে বলেন, এর ফলে গ্রামীণ উন্নয়ন, প্রান্তিক জনগণের ক্ষমতায়ন এবং ক্ষুদ্র কৃষকদের সুরক্ষা নিশ্চিত হয়েছে।

এজেন্ডা ২০৩০ বাস্তবায়নে বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতিশ্রুতির কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, সর্বত্র  নিরাপদ, পর্যাপ্ত ও পুষ্টিকর খাবারের প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে সকলের একসাথে কাজ করা অপরিহার্য, যাতে কেউ পেছনে পড়ে না থাকে।

তিনি উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং কার্যকর খাদ্য সংরক্ষণ ও বিতরণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার উপর জোর দেন। এক্ষেত্রে তিনি উন্নত দেশগুলোর কাছ থেকে আরও বেশি বিনিয়োগ এবং প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রাপ্তির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

যুদ্ধ ও সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতিতে যাতে গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য সরবরাহ অবকাঠামো ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পায় তা নিশ্চিত করতে বৈশ্বিক সংহতির আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমরা নিরাপত্তা পরিষদ রেজুলেশন ২৪১৭-কে সমর্থন করি যাতে সশস্ত্র সংঘর্ষের সময় ‘যুদ্ধের পদ্ধতি হিসাবে বেসামরিক লোকদের অনাহারে থাকা’ নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং মানবিক কাজে নিয়োজিত সংস্থা ও কর্মীগণের নিরবচ্ছিন্ন প্রবেশ নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে।

প্রতিকুলতা মোকাবিলা করে ঘুরে দাঁড়াতে সক্ষম কৃষি ও খাদ্য ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে জলবায়ু সংক্রান্ত প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আরও এগিয়ে আসার আহ্বান জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

প্রতিমন্ত্রী জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি আবদুল্লাহ শাহীদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন। প্রথম আন্তর্জাতিক অভিবাসন পর্যালোচনা ফোরামের ‘অগ্রগতি ঘোষণা’ বিষয়টি চূড়ান্ত করার ক্ষেত্রে কো-ফ্যাসিলিটেটর হিসেবে জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমাকে নিয়োগ এবং তার ওপর আস্থা রাখার জন্য সাধারণ পরিষদ সভাপতিকে ধন্যবাদ জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি জিবুতির অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী নূহ হাসানের সাথেও দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন। এ বৈঠকে  ২০২৩-২৫ মেয়াদের জন্য মানবাধিকার কাউন্সিল নির্বাচনে বাংলাদেশের প্রার্থিতাসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

প্রতিমন্ত্রী ইন্টারন্যাশনাল মাইগ্রেশন রিভিউ ফোরামে (আইএমআরএফ) উচ্চপর্যায়ের বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp
Share on email