Wednesday, জুন ১৯, ২০২৪

কাজিরহাট ঘাটে বর্তমান অবস্থাঃঃ যাত্রী অভিজ্ঞতা

মির্জা অপুর ফেসবুক পেজ থেকেঃঃ আজ সকালে আমার বড় বোনকে আরিচায় পৌছে দিতে গেলাম কাজিরহাট স্পিড বোট পল্টনে।নিয়ম মাফিক ২০০ টাকা করে ৩টা টিকিট কিনে পল্টনে দাড়াতেই ৫ টাকা দাবী,দিলাম সেখানে ১৫ টাকা।স্পিড বোটে তিনটা ব্যাগ দিতেই ড্রাইভার এলোমেলো কথা শুরু করে দিল।তিনটা ব্যাগের মধ্যে ২ বাজারে ব্যাগ একটাতে ৫কেজি মাংস আরেকটিতে শুধু একটা বাংগি সেটা রাস্তায় দেখে কিনেছিলাম। আর ১টা কাপড়ের লাগেস।ড্রাইভারের দাবী অতিরিক্ত টাকা দিতে হবে ব্যাগের জন্য।আমি টাকা দিতে অপারগতার কথা বলা মাত্রই স্পিড বোট থেকে আমার ব্যাগ গুলো নামিয়ে দিয়ে বললো আপনাদের আমি নেব না।তখন আমি বললাম আপনার এ বোডের মালিক কে তখন সে খুব দাম্ভিকতার সাথে আমাকে বললো এটা রেজাউল হক বাবুর বোড চেনেন উপজেলা চেয়ারম্যান। আমি শুধু তাকে বললাম ভাই আপনি তার ড্রাইভার ঠিক আছে আপনি কিন্তূ চেয়ারম্যান না।তখন সে উত্তরে বললো চেয়ারম্যানের কল দেন কল দিয়ে যা পারেন আমাকে করেন।এই হলো ক্ষমতা তবে এরাই আবার সে সকল ক্ষমতাবানদের ক্ষমতাচ্যুত করার রাস্তা বের করে দেন।তাই সকল ক্ষমতাবানদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে এ গুলো সামাল দিতে হবে।আজ একটা জিনিস সরাসরি অনুভব করলাম আমাকেই যেভাবে হেনস্থা করলো তারা তাহলে সাধারণ যাত্রীদের সাথে কেমন করেন আল্লাহ জানেন।অবশ্য কে যেন পরে এসে বললো ভাই আপনাকে চিনতে পারে নাই।উত্তরে আমি শুধু বললাম ভাই আমাকে চেনার কথা আসছে কেন আমি সাধারণ যাত্রীদের মতোই সব নিয়ম কানুন মেনে এখানে এসেছি।পরবর্তীতে আরিচা থেকে আসা একটা বোড রিজার্ভ করলাম এখন টিকিট ৩ টা কি হবে?পল্টনে থাকা একজন ব্যাক্তি বললো আমি আপনার বোডের ভাড়া থেকে ৬০০ টাকা মাইনাচ করে দেবনে সমস্যা নাই আপনে চলে যান।আরিচা যাওয়ার পর আমার বোডের ড্রাইভারকে জিজ্ঞেস করলাম ভাড়া পেয়েছেন সে বলবো না পাইনি আপনি দেন। তার মানে এখানেও বাটপারি টাকা ৬০০ গায়েব। এই হলো কাজিরহাট ঘাটে বর্তমান অবস্থা।

একই রকম সংবাদ

বিজ্ঞাপনspot_img

সর্বশেষ খবর