এবিসি বার্তা

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp
Share on email

শপথ নিতে চায় গণফোরামের নির্বাচিত প্রার্থীরা, বিএনপির ‘না’

 

নিউজ ডেস্ক: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শোচনীয় পরাজয়ের পর বিএনপি তথা ঐক্যফ্রন্ট ভোটের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে পুনঃনির্বাচনের দাবি জানিয়েছে। অন্যদিকে জাতীয় ঐক্যের বৃহৎ শরিক দল গণফোরাম থেকে বিজয়ী দু’জন নির্বাচিত প্রার্থী বিএনপির সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে শপথ নেয়ার সিদ্ধান্ত দিয়েছেন ড. কামাল। এমন প্রেক্ষাপটে জোটের মধ্যে শুরু হয়েছে নতুন মতানৈক্য।

৩১ ডিসেম্বর রাতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেনের মতিঝিলের চেম্বারে অনুষ্ঠিত ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠক শেষে ড. কামাল হোসেন শপথ বিষয়ক এমন সিদ্ধান্ত জানান।

বিএনপি যখন অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ এনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করছে, পাশাপাশি নিরপেক্ষ নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি জানাচ্ছে, এমনকি পুনঃনির্বাচনের দাবিতে আগামী ৩ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার জাতীয় ঐক্যফ্রন্টসহ সব বিরোধী দলের প্রার্থীরা নির্বাচন কমিশনে স্মারকলিপি প্রদান করবেন এবং এখান থেকেই তারা পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করবেন- তখন গণফোরামের প্রধান ড. কামালের সিদ্ধান্তে কিছুটা বিব্রত বিএনপি। নেতারা বলছেন, জাতীয় ঐক্যের নির্বাচিত ৭ প্রতিনিধির মধ্যে কেউ যদি শপথ নেন তবে জোটের দাবি থেকে সরে এসে সরকারকে বৈধতা দেয়া হবে।

এ প্রসঙ্গে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির কেন্দ্রীয় একজন নেতা বলেন, বিএনপির পরাজয়ের পেছনে যার অবদান সবচেয়ে বেশি তিনি হলেন ড. কামাল। এখন তিনি জোটের বৃহৎ স্বার্থের কথা না ভেবে কেবল নিজের দলের কথা বিবেচনা করে শপথ নিতে চাইছেন। যা কেবল স্বার্থপরতা। ধীরে ধীরে তার দুরভিসন্ধি পুরোপুরি উন্মোচিত হচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, আমরা এ নির্বাচনের ফলাফল পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করেছি। কাজেই এর বাইরে আর কোন কথা থাকতে পারে না। ‘দ্যাটস এনাফ’। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিএনপি চায় শপথ না নিতে, কিন্তু গণফোরাম থেকে নির্বাচিত দু’জন চান শপথ নিতে। এ অবস্থায় ড. কামাল প্রাথমিক সিদ্ধান্ত দিলেও বিষয়টি জোটগতভাবে অমীমাংসিত আছে।

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp
Share on email