এবিসি বার্তা

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp
Share on email

ভরাডুবির জন্য তারেক রহমানকে দুষছেন খোকাসহ বিএনপির অন্য নেতারা

নিউজ ডেস্ক: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির ভরাডুবির জন্য তারেক রহমানের অপরিপক্ব রাজনৈতিক সিদ্ধান্তকেই দুষছেন সাদেক হোসেন খোকাসহ বিএনপির শীর্ষ নেতারা। এ নিয়ে বিভিন্ন নেতা নানা রকম মন্তব্য দিলেও সাদেক হোসেন খোকার বিশ্লেষণটা যুক্তিনির্ভর।

পরাজয়ের কারণ দেখিয়ে এই নেতা বলেছেন, ‘বিএনপির এই পরিণতির জন্য একমাত্র দায়ী তারেক রহমান। তার কিছু অপরিপক্ব এবং ভুল সিদ্ধান্তের কারণেই বিএনপি আজ অস্তিত্বের সংকটে পড়েছে। নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটে একান্ত আলাপচারিয়তায় তিনি এমন মন্তব্য করেছেন। তিনি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে বর্তমানে নিউইয়র্কে চিকিৎসাধীন আছেন।

লন্ডনে রাজনৈতিক কৌশলের কাছে তারেক নাবালক শিশু বলে মন্তব্য করে বেগম জিয়ার ঘনিষ্ঠ এই নেতা বলেন, ‘তারেক নির্বাচন করেছে তিন উদ্দেশ্যে। প্রথমত, মনোনয়ন বাণিজ্য করা। দ্বিতীয়ত, সরকারকে ফাঁদে ফেলতে। তৃতীয়ত, নির্বাচনের ডামাডোলের মধ্যে কিছু একটা ঘটিয়ে ফেলা।

মনোনয়ন বাণিজ্য করে তারেক ১০০ কোটি টাকার উপর হাতিয়ে নিয়েছে বলে আমার কাছে খবর আছে। অন্যদিকে সে চেয়েছিল, এমন এক পরিস্থিতি তৈরি হবে যে, সরকারের সাথে প্রশাসন বিট্রে করবে। কিন্তু সরকারকে ফাঁদে ফেলতে গিয়ে তারেক জিয়া এবং বিএনপিই ফাঁদে পড়েছেন। সর্বশেষ তিনি চেয়েছিলেন, নির্বাচনে গিয়ে তারেকের বড় কাউকে হত্যা করা, কোন বড় স্থাপনায় হামলা করে তৃতীয় পক্ষের ক্ষমতায় আসার পথ তৈরি করতে। কিন্তু উনি জানেন না যে, বাংলাদেশ পাল্টে গেছে। শেখ হাসিনাও এখন অনেক পরিণত।’

সাদেক হোসেন খোকা মনে করেন, ‘বিএনপি যদি অন্য মতলব না করে নির্বাচনটাই করতো তাহলেও ৭০ থেকে ৮০টা আসন পেতো। এটা বিএনপিকে লড়াই করার পুঁজি দিতো।’

বিএনপির এই ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমি ঢাকায় বিএনপি নেতৃবৃন্দকে বলেছিলাম অন্য আশা বাদ দিয়ে নির্বাচনটা করেন। কিন্তু সবাই আমাকে বললো তারেক সাহেব বলেছেন, কিছু একটা হবে। এই ছেলেটা ২০০৬ সালেও বলেছিল কিছু একটা হবে। ২০১৪-তেও বলেছিল কিছু একটা হবে।’ক্ষুব্ধ খোকা বলেন, ‘রাজনীতি যদি এতো সহজ বিষয় হতো তাহলে আলু-পটলের ব্যবসায়ীরাও বড় নেতা হতো।’

এমন প্রেক্ষাপটে বিএনপির সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে খোকা বলেন, ‘রাজনীতিতে শর্টকার্ট পথ বলে কিছু নেই। সুতরাং বিএনপিকে প্লাটফর্মে পৌঁছাতে হলে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হবে। ফলে এখন কোন দিকে মনোযোগ না দিয়ে সংগঠন গোছাতে হবে। সংগঠন না গুছিয়ে আন্দোলন করার স্বপ্ন দেখা মানে বোকার স্বর্গে বাস।

 

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp
Share on email